Header Ads

Header ADS
সারা বাংলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সারা বাংলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

লাকসাম-মনোহরগঞ্জ নির্বাচনী আসন পূর্নবহাল রাখার দাবিতে নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান

 


লাকসাম-মনোহরগঞ্জ নির্বাচনী আসন পূর্নবহাল রাখার দাবিতে নির্বাচন কমিশনারের  কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন লাকসাম--মনোহরগঞ্জের সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষ। আজ সকাল ১১ টায়  নির্বাচন কমিশনারে কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।  এতে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক সংগঠন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। নেতারা উল্লেখ করেন যে স্বাধীনতার পর থেকে এ  আসন কখনো আলাদা করা হয় নাই,কিন্তু এখন কেন আলাদা করা হয়েছে তা জনগণ জানতে চায়। অবিলম্বে লাকসাম-মনোহরগঞ্জকে আসনকে পূর্ণবহাল করা হোক তা না হলে জনগণ আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

নাঙ্গলকোট দূবৃর্ত্তরা কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করলো সাবেক ইউপি সদস্যকে


 নাঙ্গলকোট দূবৃর্ত্তরা কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করলো সাবেক ইউপি সদস্যকে চাচাতো ভাইয়ের জানাযা শেষে বাড়ি ফেরার পথে দূবৃর্ত্তরা তুলে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে ও গুলি করে সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আলাউদ্দিনকে হত্যা করেছে বলে স্বজনরা অভিযোগ করেন। রোববার দুপুর সোয়া ১ টার দিকে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার চান্দাশ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলাউদ্দিন বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের আলিয়ারা গ্রামের মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে। নিহতের স্বজনরা জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরে রোববার দুপুরে ওঁৎ পেতে থাকে একদল দূর্বৃত্ত। আলাউদ্দিন তার চাচাতো ভাইয়ের জানাযার নামাজ শেষে বাড়িতে প্রবেশের সময় হাত বেঁধে সিএনজি চালিত অটোরিকশাতে তুলে নেয়। পরে বাড়ি থেকে অন্তত ১০ কিলোমিটার দূরে চান্দাশ এলাকায় নিয়ে গিয়ে হাত পা বেঁধে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে সড়কের পাশে ফেলে দেয়। পরে স্বজনরা আলাউদ্দিনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। নাঙ্গলকোট থানার ওসি একে ফজলুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।

কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক


 বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল থানির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) কাতারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়

বৈঠকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল থানি, যিনি একইসঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীও। তিনি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং দেশ পুনর্গঠনে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে তিনি তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের একজনকে মনোনীত করবেন।

শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল থানি ড. ইউনূসকে বলেন, আমরা আপনার নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখি।

দেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষ, বিশেষ করে তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য নতুন সুযোগ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ সৃষ্টিসহ নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে পূর্ণ কূটনৈতিক, আর্থিক ও বিনিয়োগ সহায়তা কামনা করেন প্রধান উপদেষ্টা। প্রফেসর ইউনূস বলেন, আমাদের তরুণদের স্বপ্নের দেশ গড়তে আপনাদের সহযোগিতা চাই।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী বিস্তৃত সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনার জন্য কাতারে একটি টেকনিক্যাল টিম পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেন।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। রোহিঙ্গারা যাতে মর্যাদার সঙ্গে তাদের দেশে ফিরে যেতে পারে, তা নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য সমস্ত সহায়তার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।

প্রধান উপদেষ্টা আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের সংলাপ আয়োজনে সহায়তার জন্য কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি সংকট সমাধানে আরও আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি এবং এই সমস্যার টেকসই সমাধানে কাতারের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

দুই নেতা ফিলিস্তিনের গাজা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন। ড. ইউনূস দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, গাজাবাসীদের দুর্দশা নিয়ে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ এখনও নীরব। কাতারের প্রধানমন্ত্রী এই ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানের প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অনেক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও গাজা সংকট তুলে ধরার জন্য আল জাজিরাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি গতকাল কাতারভিত্তিক এই সংবাদ মাধ্যমের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন।

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের নারী ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণ প্রদান ও সুযোগ-সুবিধা নির্মাণসহ তাদের জন্য কাতারের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান— এই অনুরোধ শেখ মোহাম্মদ সানন্দে গ্রহণ করেন।

বৈঠকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, জ্বালানি উপদেষ্টা ফউজুল কবির খান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অটোরিকশা ছিনিয়ে চালককে গলাকাটা হত্যা

 


নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লার লাকসামে অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে চালককে গলাকাটা হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) লাকসাম থানা পুলিশ মোঃ শাহজাহান (১৮) নামে ওই যুবকের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

নিহত শাহজাহান পার্শ্ববর্তী মনোহরগঞ্জ উপজেলার বিপুলাসার ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে।

এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে ওই যুবকের মূখ থেতলানো গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ থানায় নিয়ে আসে।

লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ সাহাবুদ্দিন খান জানান, সন্ধ্যায় খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। মূখ থেতলানো থাকায় কেউ মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। তার গলা কাটা এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।  তার পরনে ছিল কালো থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট ও পিঠে পিস্তল অংকিত কালো শার্ট। আজ (বুধবার) সকালে শাহজাহানের পিতা আব্দুল হান্নান ও মাতা নুরজাহান বেগম তার লাশ সনাক্ত করেন।

নিহতের পিতা আব্দুল হান্নান জানান, সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে শাহজাহান ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নিয়ে তাকে হত্যা করে লাশ লুকিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে পরিত্যক্ত ভবনে কাপড় পেঁচিয়ে রাখা হয়।

এ সময় তিনি তার ছেলের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে বুধবার লাকসাম থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, সিআইডি'র একটি দল এবং তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ দলসহ পুলিশ জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে।

কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (অপরাধ) আশফাকুল ইসলাম ও সহকারী পুলিশ সুপার (লাকসাম সার্কেল) সৌমেন মজুমদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ওসি সাহাবুদ্দিন খান বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নিহতের মরদেহটি পাঠানো হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।

শৈশব থেকেই সন্তানদের বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

 

বিজ্ঞান শিক্ষায় গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিশুদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানের মাধ্যমে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ দিতে হবে। যেন একদিন তারা চাঁদ জয় করতে পারে। আমাদের একদিন চাঁদে যেতে হবে। কাজেই আমাদের সন্তানদের শৈশব থেকেই বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পূণর্ব্যক্ত করে ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৪’ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।অনুষ্ঠানে ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আজ এটাই চাই যে আমাদের বাংলাদেশ ২০৪১ সাল নাগাদ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ হিসেবে গড়ে উঠবে। যেখানে আমাদের স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট ও স্মার্ট সোসাইটি হবে। আজকের শিশুরা আগামী-দিনের স্মার্ট বাংলাদেশের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেবে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম যেন একটা সুন্দর জীবন পেতে পারে সে জন্য ‘ডেল্টা পরিকল্পনা-২১০০’ প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

সেই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের শিশুদের শিক্ষা-দীক্ষায়, সংস্কৃতি চর্চা, খেলাধুলা সবদিক থেকেই উপযুক্ত নাগরিক হিসেবেই গড়ে তুলতে চাই। আর তা করার জন্য যা যা করণীয় অবশ্যই তা করবো।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অর্থাৎ এ যে প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি শিশুকাল থেকেই ধীরে ধীরে তারা গড়ে উঠবে। দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে এবং দেশের উন্নয়নে তাদের চিন্তা-ভাবনা, তারা আরও নতুন নতুন উদ্ভাবনী শক্তি দিয়েই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সেটাই আমি চাই।’

আজকের শিশু আগামী-দিনের নাগরিক ও এ দেশের কর্ণধার হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ শিশুদের মধ্যদিয়েই কেউ মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী হবে, বড় বড় সংস্থায় চাকরি করবে, বৈজ্ঞানিক হবে। এমনকি এক সময় তো আমাদের চাঁদেও যেতে হবে। চাঁদও জয় করতে হবে।

তিনি বলেন, সেই বিজ্ঞানসম্পন্ন জ্ঞান যেন আমাদের শিশুরা এখন থেকেই পায় সেই জন্য ব্যবস্থা করতে হবে। এরই মধ্যে গবেষণা ও শিক্ষার জন্য আমি বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় করেছি। অ্যারোনটিক্যাল সেন্টার করে দিয়েছি। কাজেই এখন থেকেই শিশুদের সেইভাবে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

শিক্ষা-সপ্তাহ উপলক্ষে ১৮টি ক্যাটাগরিতে ১২৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৬ জন শিক্ষার্থী, ১৫ ব্যক্তি এবং তিনটি সংস্থা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পদক নেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষার উন্নয়নে সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ওপর একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলা এবং দুর্গত মানুষের পাশে থাকার জন্য ছুটি বাতিলের এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান।

আজ রবিবার সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিন্ত্রী বলেন, ৮ লাখের বেশি মানুষ ইতোমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রে এসেছেন। বাকিদের আসার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। উপকূলীয় অঞ্চলে আপাতত স্কুল খোলা থাকবে তবে ক্লাস বন্ধ থাকবে। এছাড়া আজ সন্ধ্যা থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু টানেলও বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৯ নম্বর মহাপবিদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অফিসের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি-১০ এ বলা হয়েছে, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় (১৯.৫০ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৪০ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এটি আজ (২৬ মে) সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪০০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৬০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৩০ কি.মি. দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৯৫ কি.মি. দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

ঘূর্ণিঝড়টি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে আজ (রোববার) সন্ধ্যা/মধ্যরাত নাগাদ মোংলার কাছ দিয়ে সাগর আইল্যান্ড (পশ্চিমবঙ্গ) খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম করতে পারে। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি শুরু হয়েছে।


কুমিল্লা ফোরাম, ঢাকার যাত্রা শুরু

 


ঢাকায় অবস্থান করা কুমিল্লার বাসিন্দাদের নিয়ে ‘কুমিল্লা ফোরাম, ঢাকা’ নামে একটি সংগঠন যাত্রা শুরু করেছে। সম্প্রতি রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফোরামের কার্যক্রম শুরু করা হয়। অনুষ্ঠানে ১৭টি উপজেলা থেকে ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন- আহ্বায়ক মু. মাইন উদ্দিন সোহাগ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মু. হাবিবুর রহমান মজুমদার, যুগ্ম আহ্বায়ক পদে মো. মাহমুদ ভূঁইয়া, আবু হানিফ নোমান ও হাবিবুর রহমান।

ছাড়া সদস্যসচিব হয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান শামীম। যুগ্ম সদস্য সচিব পদ পেয়েছেন ইন্জিনিয়ার আলমগীর হোসেন আকাশ, মহিউদ্দিন ও আশিকুর রহমান আসিফ।

জানা গেছে, প্রতি থানা থেকে দুজন করে মোট ৫১ সদস্য কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন, সোহেল আরমান (লাকসাম),হাবিবুল হাসান সায়মন (লালমাই), অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম রনি (লাকসাম), মিজানুর রহমান (দাউদকান্দি), লোকমান হোসেন তালুকদার (মনোহরগঞ্জ), আবু সাইদ (মনোহরগঞ্জ), আমজাদ হোসেন উজ্জ্বল (নাঙ্গলকোট), মাসুম মাহমুদ (চৌদ্দগ্রাম), খাইরুল জাহান সাজিদ (লালমাই), আসাদুজ্জামান (ব্রাহ্মণপাড়া), কাজী একরাম হোসেন, রবিউল ইসলাম (লাকসাম), অলিউল্লাহ কাউসার (লাকসাম), জুনায়েদ সিদ্দিকী (মনোহরগঞ্জ), মোবারক করিম (মনোহরগঞ্জ), মোহাম্মদ রায়হান উল্লাহ (বরুড়া), এড. খালেদ সাইফুল্লাহ (বরুড়া), সাইফুল ইসলাম (লালমাই), জহিরুল ইসলাম (লালমাই), তাওহীদুল আজম বাবু (চৌদ্দগ্রাম), অ্যাডভোকেট আতিকুল ইসলাম (চৌদ্দগ্রাম), মোরশেদ আহমেদ তাফহীম (সদর দক্ষিণ), ওমর ফারুক ছোটন (সদর দক্ষিণ), সীমান্ত আকরাম ও মেহেদী হাসান (আদর্শ সদর), সোলেমান সবুজ ও ফয়েজ উল্লাহ (নাঙ্গলকোট), তৌফিকুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম (ব্রাহ্মণপাড়া), কামরুজ্জামান ও সাইফুদ্দিন (বুড়িচং), শরিফুল ইসলাম ও নাঈম খন্দকার (দেবিদ্বার), সানাউল্লাহ গাজী ও আশিকুর রহমান (চান্দিনা), রুবেল আহমেদ বাবু ও আমির হোসেন (মুরাদনগর), মহিউদ্দিন ও অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন (দাউদকান্দি), মেহেদী হাসান (হোমনা), আওলাদ হোসেন (তিতাস), কামরুজ্জামান সুমন প্রমুখ।


অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আবারো বিক্ষোভ শিক্ষার্থীদের: হিজাব নিয়ে কটুক্তি

 


নিজস্ব প্রতিবেদক: হিজাব নিয়ে কটুক্তি করায় কুমিল্লার লাকসামে নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজ অধ্যক্ষের অপসারণ দাবিতে আবারো ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন।

পরে লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবদুল হাই সিদ্দিকী কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের শান্ত করেন। এ বিষয়ে তদন্ত করে সুষ্ঠু সমাধানের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিত করে। 

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র মাকছুদুর রহমান জিহাদী বলেন, তদন্ত চলাকালীন অধ্যক্ষ কলেজে আসতে পারবেন না এবং ঘটনার সুষ্ঠু সমাধানের জন্য আন্দোলন আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। সুষ্ঠু সমাধান না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।

উল্লেখ্য, হিজাব নিয়ে কটুক্তি করায় নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মিতা সফিনাজের অপসারণ দাবিতে (২৫ ফেব্রুয়ারি) কলেজ গেইট ও ক্যাম্পাস এলাকায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা। এতে কলেজের শতশত শিক্ষার্থী অংশ নেন।

মানববন্ধনে কলেজের অধ্যক্ষ মেজর মিতা সফিনাজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে হিজাব নিয়ে কটুক্তি, বোরখা ধরে টানাটানি, হিজাব পরা ছাত্রীদের অপমান করাসহ নানা অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

কলেজের ডিগ্রি ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী আঞ্জুমা আক্তার আখি বলেন, ২১শে ফেব্রুয়ারী শহীদ মিনার দেখাতে ও বইমেলা উপভোগ করতে ছোট বোনকে নিয়ে কলেজে আসি। সেখান থেকে নারী শিক্ষার্থীদের কমন রুমে যাওয়ার সময় অধ্যক্ষ মিতা সফিনাজ আমাকে বোরখা পরিহিত দেখে রাগান্বিত স্বরে বলেন যে, তুমি এখানে কেন এসেছো? 

তখন আমার ও আমার ছোট বোনের পোষাক দেখে তিনি বিভিন্ন বাজে মন্তব্য শুরু করেন। ছোট বোনের গায়ে ছিল একটি ছোট কালো বোরকা এবং একটি ছোট কালো হিজাব আর আমার পরনে ছিল বোরকা, হাত পায়ের মোজা ও হিজাব। তিনি আমাদেরকে দেখিয়ে রাগান্বিত স্বরে বলে ওঠেন, "ছোট বাচ্চাদের কি এগুলা কোন ধরনের পোশাক পরায় এই ধরনের পোশাক পরিয়ে বাচ্চাদের ভুলভাল জিনিস শেখায়"।

ওই সময় তাঁর সাথে থাকা কয়েকজন শিক্ষকের মধ্যে একজন প্রতিবাদ করেন। তিনি বলেছিলেন বাচ্চাদেরকে হয়তো পরিবার থেকে ছোটবেলা থেকেই তারা পর্দা-নৈতিকতা শেখায়, কিন্তু প্রতিউত্তরে ম্যাডাম বলে ওঠেন এগুলা কোন ধরনের নৈতিকতা? এসব বোরখা হিজাবের ভিতরে দুষ্টামি ভন্ডামি আরো বেশি লুকিয়ে থাকে।

পরে আরেকজন শিক্ষক ওনাকে আরো বোঝানোর চেষ্টা করেন মুসলিম সমাজে পর্দা মেইনটেন করে চলতে হয়। কিন্তু তিনি কোনোভাবেই তা শুনতে চাননি এবং অনেক ধরনের বাজে মন্তব্য করেছিলেন। পূর্বেও একবার তিনি আমাকে আমার পরিহিত হিজাব নিয়ে কটুক্তি করেছিলেন। তখন আমি কিছুই বলিনি ভেবেছিলাম সব ঠিকঠাক হয়ে যাবে। এইসব কথায় আমি খুবই কষ্ট পাই এবং মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পরি। ওই অবস্থায় আমার মানসিক অবস্থা দেখার মত ছিল না এবং লজ্জাবোধ করি। একটা সাড়ে পাঁচ বছরের বাচ্চার ধর্মীয় পোষাক নিয়েও এমন কটুক্তি করেছিলেন যা আমাকে খুবই কষ্ট দেয় এবং আমার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে।"

কলেজের অপর শিক্ষার্থী মাকসুদুর রহমান জিহাদী বলেন, অধ্যক্ষ মেজর মিতা সফিনাজ হিজাব পরায় শুধু আঞ্জুমা আক্তার আঁখিকেই অপমান করেনি। ইতিপূর্বেও হিজাব পরায় তিনি অনেক ছাত্রীকে অপমান-অপদস্থ করেছেন। হিজাব নিয়ে টানাটানি করেছেন। বিশ্রী শব্দ দিয়ে গালাগাল করেছেন। কিন্তু কেউ শাড়ি কিংবা শর্ট পোশাক পরে আসলেও কাউকে কিছুই বলেন না। অধ্যক্ষ মিতা সফিনাজ মুসলিম হয়েও হিজাবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আমাদের হৃদয়ে আঘাত করেছেন। তিনি শিক্ষকতার নৈতিক ভিত্তি হারিয়েছেন।'

এ সময় তারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত সময়ের মধ্যে অধ্যক্ষের অপসারণ দাবি জানান। অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরাও এ দাবির সাথে একমত পোষণ করে শ্লোগান দিতে থাকে।

কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল হাসান তানিম বলেন, আমরা সকল নৈতিক আন্দোলনে ছাত্রদের সাথে আছি। অধ্যক্ষ অসুস্থ বিধায় ঢাকায় আছেন। উনি আসলে আগামী তিন দিনের মধ্যে এ বিষয়ে ফায়সালা হবে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুঠো ফোনে কল দিলে অধ্যক্ষ মিতা সফিনাজ বলেন, 'আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সত্যতা নেই। এর বেশি কিছু বলব না। আমি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আছি। কলেজে এসে বিস্তারিত বলব।'

কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ শামসুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের বিষয়ে ম্যাডামকে জানাবো। আমিতো তাঁর বিচার করতে পারি না। তবে আমি দেখেছি বোরখার সামনের কালো অংশ তিনি পরতে বারন করতেন। সাদা পরতে বলতেন। কালো অংশ আমাদের ড্রেসের সাথে মানায় না।

এ বিষয়ে জানতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর কুমিল্লা অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম মুঠো ফোনে বলেন, 'অধ্যক্ষ যদি এমন আচরণ করে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।'

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর কুমিল্লা অঞ্চলের পরিচালক শমেস কর চৌধুরী বলেন, 'এমন আচরণ করে থাকলে অধ্যক্ষ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেননি। বিষয়টি বিস্তারিত জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: মনোহরগঞ্জে ২ শিক্ষক জেলে, প্রধান শিক্ষক পলাতক


 নিজস্ব সংবাদদাতা: কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে প্রধান শিক্ষকসহ ৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে এসএসসি'র প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে । এদের ২ জনকে আটক করে মনোহরগঞ্জ থানা পুলিশে সোপর্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অপর অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক পলাতক রয়েছেন।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) গণিত পরীক্ষা চলাকালীন উপজেলার পোমগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। 

আটককৃতরা হলেন, শাহরাস্তী উপজেলার নাতারা গ্রামের তালুকদার বাড়ীর আবু ইউছুফের ছেলে আল আমিন (৩৩), একই উপজেলার বেরনাইয়া গ্রামের আদিপুর বাড়ীর সাহেব উদ্দিনের ছেলে মফিজ উদ্দিন (২৬)। 

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পোমগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি'র গণিত বিষয়ের প্রশ্নপত্র মোবাইল হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে হল সুপার লালচাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামছুল আলম পাটোয়ারী বাইরে থাকা অপর দুই শিক্ষকের কাছে পরীক্ষার হল থেকে পাঠিয়েছেন তারা যেন প্রশ্নপত্র সমাধান করে উত্তরপত্র পুনরায় পাঠায়। (যা পাবলিক পরীক্ষা অপরাধ আইন ১৯৮০ এর ৯ খ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধ)

এ ঘটনায় রোববার রাতে পোমগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে অভিযুক্ত তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে মনোহরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা জানান, মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এসএসসি'র গণিত বিষয়ে পরীক্ষা চলছিলো পোমগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে, পাশের মার্কেটে একটি চক্র গণিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছে এমন খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ওই মার্কেটে অভিযান চালিয়ে আল আমিন ও মফিজ উদ্দিন নামে দুই শিক্ষককে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। প্রশ্ন ফাঁস চক্রের সদস্যদের সঙ্গে গণিতের প্রশ্নপত্র মোবাইল ফোন ও ডিভাইস পাওয়া যায়। স্মার্টফোনের মাধ্যমে গণিতের উত্তরপত্রের সমাধানগুলো শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করছিলেন তারা।

মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হানিফ সরকার জানান, প্রশ্ন ফাঁস চক্রের তিন সদস্যের মধ্যে দুইজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে, অপর আসামি মনোহরগঞ্জ উপজেলার লালচাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও গণিত পরীক্ষার হল সুপার সামছুল আলম পাটোয়ারীকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গভীর সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলনে বিদেশিদের বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

 


দেশের জ্বালানি সংকট নিরসনে এবার গভীর সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আর এ জন্য বিদেশি বিনিয়োগ আহ্বান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (ফেব্রুয়ারি ২৭) সন্ধ্যায় সংসদ ভবন কার্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইটিএফসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইঞ্জিনিয়ার হানি সালেমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। পরে তার বক্তব্য লেখক মো. নজরুল ইসলাম এ সাক্ষাতের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

মো. নজরুল ইসলাম জানান, বর্তমানে দেশে বিনিয়োগযোগ্য পরিবেশ বিরাজ করছে জানিয়ে হানি সালেমকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে দেশের জ্বালানি সংকট নিরসনে তার সরকার গভীর সমুদ্রে গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ জন্য আমাদের বিনিয়োগ দরকার।

এ ছাড়া গ্রামীণ অর্থনীতি ও খাদ্য উৎপাদন এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। আইটিএফসি প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে বৈঠকে কর্মসংস্থান বাড়ানোর জন্যও বিনিয়োগ আহ্বান করেছেন শেখ হাসিনা।

এদিকে স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের সিইও হানি সালেমও। তিনি বলেছেন, অবকাঠামো, আইসিটি, ঋণ ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি খাত এবং জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে আইটিএফসি সর্বাত্মক সহায়তা দেবে।

বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আর্থিক ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করে হানি সালেম বলেন, ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে একটি চমৎকার ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে বাংলাদেশের।

সৌজন্য সাক্ষাতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী।

বিনা প্রশ্নে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ চায় রিহ্যাব

 


অর্থপাচার কমাতে ও সরকারের রাজস্ব বাড়াতে আগামী দশ বছরের জন্য বিনা প্রশ্নে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আবাসন খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাব।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়।

সভায় রিহ্যাবের প্রশাসক জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, অর্থপাচার কমাতে ও সরকারের রাজস্ব বাড়াতে কোনো ধরনের প্রশ্ন না করা সংক্রান্ত আগের যে সুবিধাটি ছিল, তা বহাল করা প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে আবাসন ক্রেতাদের ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে অর্থের উৎস সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন না করারও আহ্বান থাকবে।

বিদেশে অনেকেই সেকেন্ড হোম করছে জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের প্রচুর অর্থ বিদেশে চলে যাচ্ছে। ওইসব দেশের ফ্ল্যাট অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়ের অর্থের উৎসের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় না। অপ্রদর্শিত অর্থ দেশে বিনিয়োগের সুযোগ করে দেওয়ার ফলে ভবিষ্যতে ওই সব বিনিয়োগকারী করের আওতায় চলে আসবে, যা সরকারের রাজস্ব বাড়াতে সহায়তা করবে। এসময় তিনি ফ্ল্যাট ও প্লট রেজিস্ট্রেশনে বিদ্যমান ফি ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাত শতাংশ নামানোসহ ৮টি প্রস্তাব তুলে ধরেন।

আর সরবরাহ বিক্রয়ের ওপর উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ রেডিমেইড মিক্স কনক্রিট অ্যাসোসিয়েশন, সিমেন্টের কাঁচামাল ক্লিংকারে কাস্টমস ডিউটি ৭০০ টাকা থেকে কমিয়ে ২০০ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশে সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসেসিয়েশন।

অন্যদিকে পরিবেশদূষণ রোধ ও কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে পরিবেশ সারচার্জ বৃদ্ধির অনুরোধ জানিয়েছে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিস অব বাংলাদেশ।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিটিআরসি চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধায় প্রধানমন্ত্রীর সংসদ ভবনস্থ অফিস কক্ষে এ সাক্ষাৎ করেন তিনি।

সৌজন্য সাক্ষাতকালে বিটিআরসির চেয়ারম্যান কমিশনের গৃহীত কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী টেকসই, প্রযুক্তি নির্ভর এবং জ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিটিআরসিকে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ ২০২৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিটিআরসির চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে ২০১৯ সালের ৩০ মে ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অপারেশন্স বিভাগের কমিশনার হিসেবে এবং ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে কমিশনের ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পটুয়াখালীতে এক কচু ২৫০০ টাকায় বিক্রি

 


পটুয়াখালী প্রতিনিধি ::: পটুয়াখালীর দশমিনায় ১১ফুট লম্বা ও ৮০ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির একটি বেল কচু আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন এক প্রান্তিক কৃষক।

উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের গছানী গ্রামের কৃষক মো: বারেক হোসেন নিজের বাড়িতে জম্মানো কচুটি বিক্রির জন্য উপজেলা সদরের পূঁজাখোলা এলাকায় নিয়ে এলে সোমবার সন্ধ্যার পরে ১০ জন ক্রেতা মিলে দুই হাজার ৫০০ টাকায় কিনে ভাগ করে নেয়।

জানা যায়, উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউসিয়নের গছানী গ্রামের কৃষক মো: বারেক হোসেন ৩ বছর পুর্বে শখের বসে ৫০টি বেল কচুর চারা সংগ্রহ করে বসত বাড়ির পতিত জমিতে রোপন করেন। পরিবারের খাওয়ার পাশাপাশি স্বজনদের বিনামূল্যে দিয়েও এ পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার টাকার বেল কচু বিক্রি করেন। তবে বসতঘরের পাশে থাকার কারণে এটি বিক্রি করা হয়নি।

এ ব্যাপারে বেল কচু বিক্রেতা মো: বারেক হোসেন বলেন, ১১ ফুট লম্বা ও ৮০ কেজি ওজনের কচু আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। ঘরের পাশে থাকায় আর তেমন পরিচর্যাও করিনি। তবে কয়েক দিন পরপর শুধু ছাই দিয়ে ছিলাম।

বেল কচু ক্রেতা উপজেলা সদরের চরহোসনাবাদ এলাকার বাসিন্দা মো: জামাল হোসেন বলেন, এত বড় কচু আমি আর দেখিনি। এ জাতের কচু অনেক সুস্বাদু। কচুটি একা কেনা সম্ভব না হওয়ায় ভাগে কিনেছি।

দশমিনা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: জাফর আহমেদ বলেন, এ জাতের কচুতে পোকা মাকরের আক্রমন ও রোগ বালাই কম হয়। বসতবাড়ির আঙিনায় পতিত জমিতে, রাস্তার পাশে, পুকুর বা খাল পাড়ে এটি চাষ করা যায়। তাই এটি চাষে ফসলি জমির অপচয় হয়না। খেতে সুস্বাদু ও বাজার দরও ভালো থাকায় কৃষি বিভাগ থেকে এ জাতের কচু চাষে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি।

পণ্যে কর ছাড় দিয়ে এনবিআরের প্রজ্ঞাপন


 আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে চাল, ভোজ্যতেল, চিনি ও খেজুরের ওপর শুল্ক-কর ছাড় দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

আজ বৃহস্পতিবার এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম সই করা পৃথক চারটি আদেশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ২৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে রমজান উপলক্ষ্যে ভোজ্যতেল, চিনি, খেজুর ও চালের ওপর শুল্ক কমানোর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রমজানে যাতে এসব পণ্যের সরবরাহ কম না হয়।

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

 


দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টদের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিব সভায় প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা হয়। সভা শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনার কথা জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, উনি (প্রধানমন্ত্রী) আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে নজরদারি করতে বলেছেন। নজরদারি করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট একটি ক্ষেত্রের কথাও তিনি বলেছেন। অনেক সময় দ্রব্যমূল্যের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পর্যায়ে চাঁদাবাজির প্রসঙ্গ আসে। নিউজ আসে। এক্ষেত্রে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে খুবই শক্তভাবে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। এটি যাতে কোথাও না হয়।

এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ আজ


 চলতি মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) মূল্য বাড়ছে নাকি কমছে, তা জানা যাবে আজ (রোববার)। এদিন এক মাসের জন্য এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করা হবে।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সচিব ব্যারিস্টার মো. খলিলুর রহমান খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, সৌদি আরামকো ঘোষিত ফেব্রুয়ারি ২০২৪ মাসের সৌদি সিপি অনুযায়ী এই মাসের জন্য ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির মূল্য সমন্বয় সম্পর্কে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের নির্দেশনা রোববার দুপুর আড়াইটায় ঘোষণা করা হবে।

এর আগে গত ২ জানুয়ারি টানা ৬ষ্ঠ মাসের মতো ভোক্তা পর্যায়ে বাড়ানো হয় এলপিজির দাম। ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারি মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৯ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

একইসঙ্গে অটোগ্যাসের দামও বাড়ায় বিইআরসি। জানুয়ারি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার নির্ধারণ করা হয় ৬৫ টাকা ৬৭ পয়সা।


শিগগিরই ডলারের সমস্যার সমাধান হবে: সালমান এফ রহমান

 


শিগগিরই ডলারের সমস্যার সমাধান হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান বলেছেন। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে দুটো জিনিস চাপ কমাতে সহযোগিতা করতে পারে, একটি হলো— রেমিটেন্স বাড়াতে হবে এবং আরেকটি হচ্ছে রপ্তানি বাড়াতে হবে।

আজ সোমবার দুপুরে আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

সালমান এফ রহমান বলেন, রপ্তানি বাড়ানোর জন্য অনেকগুলো নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি আমদানি অনেকটা কমে গেছে। তারপরও ডলারের ওপর চাপ থাকছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলার প্রশাসক আনিসুর রহমান এবং ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান।

২০২৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে দুই হাজার নারী-শিশু

 


গত বছর সারাদেশে ৬ হাজার ৯১১টি সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা গেটেছে। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৬ হাজার ৫২৪ জন। নিহতের মধ্যে ৯৭৪ জন নারী ও শিশু রয়েছে ১ হাজার ১২৮ জন। আর আহত হয়েছেন অন্তত আরো ১১ হাজার ৪০৭ জন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত দুর্ঘটনা সংক্রান্ত বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন নয়টি জাতীয় দৈনিক, সাতটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং সংস্থার নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, ‘দেশের যানবাহন ও সড়ক—দুটির কোনোটিই শিশুবান্ধব নয়। অনেক স্থানে বাড়ি, স্কুলের একদম ধারেই সড়ক দেখা যায়। সড়ক থেকে নিরাপদ দূরত্বে মেনে এসব তৈরি হয় না। আবার অনেক স্থানে স্কুলের পাশে কোনো সড়ক প্রতিবন্ধকতা বা ওভারপাস থাকে না। তাই এক অপূরণীয় ক্ষতি আমাদের হচ্ছে দিনের পর দিন।’

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের হিসাব অনুযায়ী, দেশে গত বছর সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৬ হাজার ৯১১টি। এতে ৬ হাজার ৫২৪ জন নিহত হয়, আহত হয় ১১ হাজার ৪০৭ জন। মোট নিহতের ১৭ শতাংশের বেশি শিশু। গত বছর দেশে দুর্ঘটনার সংখ্যা এর আগের (২০২২) বছরের চেয়ে বাড়লেও কমেছে মৃত্যুর সংখ্যা। দুর্ঘটনায় শিশুমৃত্যুর সংখ্যাও আগের বছরের তুলনায় সামান্য কমেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ৪০ শতাংশের বেশি শিশু মারা গেছে যাত্রী বা পণ্যবাহী বাস, ট্রাক ও প্রাইভেট কারের ধাক্কায়। এরপর আঞ্চলিক বা গ্রামীণ সড়কের যানবাহন, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। প্রায় ১৬ শতাংশ শিশুর প্রাণ গেছে বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায়। স্থানীয়ভাবে তৈরি নছিমন, ভটভটি বা মাহিন্দ্র কেড়েছে প্রায় ৭ শতাংশ শিশুর প্রাণ।

এদিকে বর্তমানে জাতীয় ও আঞ্চলিক সড়কের দৈর্ঘ্য ২২ হাজার কিলোমিটারের বেশি। গ্রামীণ সড়ক ৩ লাখ কিলোমিটারের বেশি। দুর্ঘটনায় শিশু নিহত হওয়া সড়কের ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ৩৭ শতাংশ শিশুর মৃত্যু হয়েছে আঞ্চলিক সড়কে। এরপরই আছে মহাসড়ক, গ্রামীণ সড়ক ও শহরের সড়ক।

রোড সেফটির বিশ্লেষণে দেখা যায়, গ্রামীণ সড়কে আগের বছরের (২০২২) চেয়ে গত বছরে শিশুমৃত্যু কমেছে। কিন্তু বেড়েছে আঞ্চলিক সড়কে। যেসব দুর্ঘটনার কবলে পড়ে শিশুদের মৃত্যু হয়, এর এক-তৃতীয়াংশের বেশি ঘটে দুপুরের দিকে। তবে সকাল ও বিকেলের দিকেও অনেক দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় নিহত শিশুদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৩ শতাংশেরই বয়স ৬ থেকে ১২ বছরের মধ্যে। এরপরই আছে ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশু। নিহত শিশুদের মধ্যে ৩৭ শতাংশ এই বয়সী।

দুর্ঘটনায় শিশু নিহত হওয়া সড়কের ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ৩৭ শতাংশ শিশুর মৃত্যু হয়েছে আঞ্চলিক সড়কে। এরপরই আছে মহাসড়ক, গ্রামীণ সড়ক ও শহরের সড়ক।

এছাড়া প্রতিবেদনে জানা গেছে, নিহতের মধ্যে ৯৭৪ জন নারী ও শিশু রয়েছে ১ হাজার ১২৮ জন। মোট ২ হাজার ৫৩২টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৪৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা মোট নিহতের ৩৮.১২ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৬.৬৩ শতাংশ।

এ ছাড়া দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৪৫২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২২.২৫ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৯৪২ জন, অর্থাৎ ১৪.৪৩ শতাংশ।

এই সময়ে ১০৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৪৮ জন নিহত, ৭২ জন আহত এবং ৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ২৮৭টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ৩১৮ জন নিহত এবং ২৯৬ জন আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বাস যাত্রী ২৭৪ জন, ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান-ট্রাক্টর ট্রলি-লরি আরোহী ৩৮৪ জন, প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস-অ্যাম্বুলেন্স-জীপ যাত্রী ২২৯ জন, তিন চাকার যানের যাত্রী ১ হাজার ২০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ২ হাজার ৩৭৩টি জাতীয় মহাসড়কে, ২ হাজার ৮৮৭টি আঞ্চলিক সড়কে, ৯৯৪ টি গ্রামীণ সড়কে, ৫৮৩ টি শহরের সড়কে এবং অন্যান্য স্থানে ৭৪ টি সংঘটিত হয়েছে।

দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১ হাজার ২৯১টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৩ হাজার ১৪৯টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১ হাজার ৪৪৬টি পথচারীকে চাপা/ধাকা দেয়া, ৮১৭টি যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ২০৮ টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা ১১ হাজার ৩৬৬টি। এর মধ্যে বাস ১ হাজার ৫০৩, ট্রাক ১ হাজার ৮০৬, কাভার্ডভ্যান ২৮৩, পিকআপ ৪৩২, ট্রলি ১৭৮ ও লরি ১১৪টি অন্যতম। দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভোরে ৩২১টি, সকালে ১ হাজার ৯৪৬টি দুপুরে ১ হাজার ৫৭১টি, বিকেলে ১ হাজার ১১৩টি, সন্ধ্যায় ৬১৮টি এবং রাতে ১ হাজার ৩৪২টিদুর্ঘটনা ঘটেছে।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। ১ হাজার ৯৬৭টি দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৬৯৪ জন নিহত হয়েছেন। সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ৩৪৭টি দুর্ঘটনায় ৩৮৮ জন নিহত হয়েছে। রাজধানীতে ২৯৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪৩ জন নিহত এবং ৩৩৬ জন আহত হয়েছেন।

বিদ্যুতের দেনা শোধ করতে বিশেষ বন্ড ছাড়বে অর্থ মন্ত্রণালয়


 বিদ্যুতের দেনা পরিশোধ করতে বিশেষ বন্ড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে সরকারের সঙ্গে বেসরকারি সিটি ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংকের মোট ২ হাজার ৬২ কোটি টাকার বিশেষ বন্ড ছাড়ার বহুপক্ষীয় চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে সিটি ব্যাংকের অনুকূলে ১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা এবং পূবালী ব্যাংকের অনুকূলে ৭৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে সারের ভর্তুকি মেটাতে বিশেষ বন্ড ছেড়ে ৩ হাজার ১৬ কোটি টাকা পরিশোধ করেছিল সরকার।

সূত্র জানায়, বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে ভর্তুকির টাকা দিতে পারছিল না সরকার। সে কারণে কেন্দ্রগুলোও ব্যাংকের পাওনা পরিশোধ করতে পারছিল না। এতে কোনো কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র ঋণখেলাপিও হয়ে পড়ছিল।

এ অবস্থায় পুরো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ বন্ড ছাড়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বন্ডের কুপন রেট বা সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ শতাংশ। এ হার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারণ করা রেপো রেটের সমান। তবে ভবিষ্যতে রেপো রেট বাড়লে এ বন্ডের সুদহারও বাড়বে, রেপোর সুদ কমলে বিশেষ বন্ডের

সুদও কমবে।

জানা গেছে, বন্ড ছাড়ার ফলে সিটি ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংক এখন আর দেনাদারদের কাছে টাকা চাইতে পারবে না। বন্ডের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাংকের দায় সমন্বয় হয়ে যাবে। আর ব্যাংক সুদ পাবে ছয় মাস পরপর। মেয়াদ শেষে সুদসহ ব্যাংকের পাওনা সরকার পরিশোধ করবে। তখন বন্ডগুলোও সরকার ফেরত নেবে। সাধারণত বন্ড ১৫ থেকে ২০ বছর মেয়াদি হলেও বিশেষ বন্ডের মেয়াদ হচ্ছে সর্বোচ্চ ১০ বছর।

বিদ্যুৎ খাতে বিশেষ বন্ড ছাড়া হয়েছে যেসব প্রতিষ্ঠানের দায় মেটাতে, সেগুলো হচ্ছে সামিট পাওয়ার, ইউনাইটেড পাওয়ার, কনফিডেন্স পাওয়ার, বারাকা, কুশিয়ারা, ডরিন, অ্যাক্রন পাওয়ারের বিপরীতে। ধাপে ধাপে আরও কয়েকটি ব্যাংকের সঙ্গে বিদ্যুতের দায় মেটাতে বিশেষ বন্ড ছাড়ার চুক্তি হবে বলে অর্থ বিভাগের সূত্রগুলো জানায়। পরের দফায় চুক্তি হতে পারে ব্র্যাক ব্যাংক ও ব্যাংক এশিয়ার সঙ্গে।

জানা গেছে, সরকারের কাছে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার বিল বকেয়া রয়েছে। এর মধ্যে বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর (আইপিপি) বকেয়া ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি। তবে বিশেষ বন্ড ছাড়া হচ্ছে ১৩ হাজার কোটি টাকার মতো।

জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি করতে হবে


 নিজস্ব প্রতিবেদক: কোন জনপ্রতিনিধি মানুষের প্রতি অত্যাচার, নির্যাতন করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। বিশেষ করে চেয়ারম্যান-মেম্বাররা কারও প্রতি জুলুম করবেন না। জনপ্রতিনিধিদের অধিকতর ক্ষমতাবান এবং অধিকতর জবাবদিহিতারও আওতায় আনা হবে। যে কোন মূল্যে জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে মত দিয়েছেন।

শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে পোমগাঁওয়ের নিজ বাড়িতে মনোহরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এবং জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম কথাগুলো বলেন।

মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরা জনগণের সবচেয়ে কাছাকাছি থাকার ফলে মানুষের সমস্যাগুলো তারা সবচেয়ে ভালোভাবে জানার সুযোগ পান। সেই সমস্যা সমাধানে তারা আন্তরিক হলে অনেক উন্নয়ন  স্থানীয় পর্যায়েই সম্ভব। তাই সরকারের এই শাসনামলে জনপ্রতিনিধিদের অধিকতর ক্ষমতায়ন করে জাতীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা হবে। তবে সেই সাথে অনিয়ম করলে জনপ্রতিনিধিদের যথোপযুক্ত জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।

মন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের জন্য একটি রূপরেখা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রনয়ণ করা আছে। সে রূপরেখাকে গুরুত্ব দিয়ে আমার এলাকাসহ দেশের সার্বিক উন্নয়ন করা হবে।

মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, লাকসাম-মনোহরগঞ্জ এর রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজসহ অসংখ্য অবকাঠামগত উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার ফলে। ভবিষ্যতেও লাকসাম মনোহরগঞ্জবাসির আকাঙ্ক্ষা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসাবে যেন পূরণ করতে পারেন সেই দোয়া চান তিনি।

মন্ত্রী লাকসাম-মনোহরগঞ্জের উন্নয়নে কোথায় ঘাটতি রয়েছে তা চিহ্নিত করে সবার সাথে আলোচনা করে প্রকল্প নেওয়া হবে বলে জানান। এ আসনের মানুষ যাতে সুশাসন ও ন্যায়বিচার পায় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে উল্লেখ তিনি বলেন, এক্ষেত্রে কোন অনিয়ম সহ্য করা হবে না।

তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রেখে দ্বিতীয়বার স্থানীয় সরকার মন্ত্রী করেছেন। টানা দ্বিতীয়বার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মত বৃহৎ মন্ত্রণালয়ের  দায়িত্ব দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে আস্থা রেখেছেন তা যেন অক্ষুন্ন রাখতে পারেন সেজন্য এলাকাবাসীর কাছে দোয়া চান তিনি।

তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, প্রথম যেদিন আমাকে এমপি হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল ঐ দিন আমার গায়ের লোম খাড়া হয়ে গিয়েছিল, আমার চোখের পানি পড়েছিল। প্রথম এমপি হওয়ার পর আমি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে দোয়া করেছিলাম, যে লোকগুলো আমাকে ভোট দিয়েছে, যারা আমার জন্য কাজ করেছে, আমি যাদের এমপি হয়েছি; তাদের ভাগ্যোন্নয়নে যেন আমি কাজ করতে পারি। সমাজে ন্যায় বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান জাকির হোসেনের পরিচালনায় এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ এবং জনপ্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ৫ম বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত মোঃ তাজুল ইসলাম দ্বিতীয় বারের মতো স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মনোনীত হওয়ায় সভায় উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ এবং জনপ্রতিনিধিবৃন্দ মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

Blogger দ্বারা পরিচালিত.