Header Ads

Header ADS
প্রচ্ছদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রচ্ছদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

‘আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত’: হট্টগোলের পর স্পিকার


 জাতীয় সংসদে হট্টগোল ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে বর্তমান সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট হট্টগোল ও বাগবিতণ্ডার পর সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

স্পিকার বলেন, ‘আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত। আজকে একে অপরকে কথা বলার সুযোগকে যেভাবে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টা দেখেছি, এটা সংসদের জন্য ভালো লক্ষণ নয়।’

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে সচল রাখতে এবং জনগণের এই প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর রাখতে হলে সংসদের কার্যপ্রণালির বিধি (রুলস অব প্রসিডিউর) কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আপনাদের বলব, সংসদের রুলস অব প্রসিডিউর পড়ুন। স্পিকার যখন কথা বলেন, তখন সবাইকে বসে শুনতে হয়। এই আইন-নীতি যদি না মানেন, ভঙ্গ করেন, তাহলে এই সংসদ বেশিদিন চলবে না।’

জাতীয় সংসদে নিজের ৪০ বছরের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে স্পিকার বলেন, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি কার্যকর ও সুন্দর সংসদ উপহার দেওয়ার জন্য সব সংসদ সদস্যকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

যে বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা

এর আগে কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা হলো, বুঝতে পারিনি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর সংসদে হট্টগোল ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যদি কথাই বলতে না দেন, তাহলে কিসের বাকস্বাধীনতা।’

এরপর বিরোধী দলের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্পিকার সংসদ সদস্যদের শান্ত থাকার এবং সংসদের কার্যপ্রণালির বিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেবে ইউকেএম


 বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করবে মালয়েশিয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া (ইউকেএম)। আগামী ১৩ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার মালয়েশিয়া সফরকালে তাকে এই সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করা হবে।


মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক শাহ আসিফ রহমান রোববার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া প্রধান উপদেষ্টাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করবে।


তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে একটি স্মারক বক্তৃতা দেবেন।


আসিফ রহমান বলেন, সফরের তৃতীয় দিন (১৩ আগস্ট) প্রফেসর ইউকেএম চ্যান্সেলর ও নেগেরি সেমবিলান প্রদেশের শাসক টুয়াঙ্কু মুহরিজ ইবনে মুনাভিরের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন।

লাকসাম-মনোহরগঞ্জ নির্বাচনী আসন পূর্নবহাল রাখার দাবিতে নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান

 


লাকসাম-মনোহরগঞ্জ নির্বাচনী আসন পূর্নবহাল রাখার দাবিতে নির্বাচন কমিশনারের  কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন লাকসাম--মনোহরগঞ্জের সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষ। আজ সকাল ১১ টায়  নির্বাচন কমিশনারে কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।  এতে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক সংগঠন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। নেতারা উল্লেখ করেন যে স্বাধীনতার পর থেকে এ  আসন কখনো আলাদা করা হয় নাই,কিন্তু এখন কেন আলাদা করা হয়েছে তা জনগণ জানতে চায়। অবিলম্বে লাকসাম-মনোহরগঞ্জকে আসনকে পূর্ণবহাল করা হোক তা না হলে জনগণ আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

মনোহরগঞ্জ উন্নয়ন ফোরামের উদ্দোগে ৩৬ জুলাই বিপ্লবের শহীদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়ার অনুষ্ঠান এবং ফ্রি ব্লাডগ্রুপের আয়োজন করা হয়।


 মনোহরগঞ্জ উন্নয়ন ফোরাম এর উদ্যোগে মনোহরগঞ্জ উন্নয়ন ফোরামের কেন্দ্রীয় অফিসে আজ ৩৬ শে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে শহীদ স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়,


উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মনোহরগঞ্জ উন্নয়ন ফোরামের সম্মানিত উপদেষ্টা
জনাব,প্রফেসর আশরাফ মোল্লা, সদস্য জনাব.
Jahangir Alam Mizi,জনাব.মাওলানা ডাক্তার আব্দুল হাই মজুমদার,মনোহরগঞ্জ মানব কল্যাণ ট্রাস্ট এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব.মওদুদ আহমেদ জিহাদ। লেখক ও এক্টিভিস্ট মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা সাব্বির হোসেন,

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন হাফেজ মাওলানা নাসির উদ্দিন এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকবৃন্দ প্রমুখ।

রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা


রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশ টেলিভিশন, বিটিভি নিউজ ও বাংলাদেশ বেতার ভাষণটি একযোগে সম্প্রচার করবে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র জানিয়েছে, ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছরের কর্মকাণ্ড, জুলাই গণহত্যার বিচারের অগ্রগতি এবং চলমান সংস্কার কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ তুলে ধরবেন প্রধান উপদেষ্টা। পাশাপাশি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সালের কোন মাসে অনুষ্ঠিত হবে—তা নির্দিষ্ট করে ঘোষণা করতে পারেন তিনি।

আওয়ামী লীগের গুম-খুন ও লুটপাটের বিচার করা হবে


 বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সংঘটিত গুম-খুন, হত্যা, গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সব ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন এবং লুটপাটের দ্রুত উপযুক্ত বিচার করা হবে।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠান মঞ্চে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ কথা জানান।

 উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের জনগণ বিগত ১৬ বছরের দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম কালে এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক সংঘটিত গুম-খুন, হত্যা, গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সব ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি লুণ্ঠনের অপরাধসমূহের দ্রুত উপযুক্ত বিচারের দৃঢ় অভিপ্রায় ব্যক্ত করা হচ্ছে।

মুজিববাদী সংবিধান বাংলাদেশে আর থাকতে দিতে পারি না: সারজিস আলম


 জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, বাহাত্তরের সংবিধান একটা দলের ছিল। যে সংবিধান আরেকটা দেশ থেকে পাস হয়ে এসেছে। এই মুজিববাদী সংবিধান আর বাংলাদেশে থাকতে দিতে পারি না।


তিনি আরও বলেন, আমরা আজ এই মঞ্চে মুজিববাদী সংবিধান ভেঙেচুরে শেষ করে দিয়ে নতুন সংবিধান চাইতে এসেছি।

রোববার (৩ আগস্ট) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় নাগরিক পার্টির সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

হতাশার কথা জানিয়ে সারজিস বলেন, ২৩ বছরে পাকিস্তান শাসনে ছিলাম, অধিকার পাইনি। ৫৪ বছরেও দেশেও অধিকার পাইনি। আজ থেকে এক বছর আগে আমরা এই শহীদ মিনারে ছিলাম। এদিন হাসিনার পতনের ডাক এসেছিল। এক বছর হয়ে গেছে, আজও আমাদের অধিকার পাইনি। আমরা আর হতাশার কথা শুনতে চাই না।


সারজিস আলম বলেন, এক বছর আগে এই শহীদ মিনারে যারা ছিল, তাদের অনেকে আজ শহীদ। তাদের পরিবার এখানে আছে। আমরা এই শহীদ ভাইদের হত্যার বিচার চাইতে এসেছি। আমরা এই সরকারের কাছে মৌলিক সংস্কারের নিশ্চয়তা চেয়েছি। শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন ও আহত যোদ্ধাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এখানে এসেছি।


এনসিপির উত্তরাঞ্চলের এই শীর্ষ নেতা বলেন, আমাদের লড়াই ২৪-এর নয়। বিডিআর হত্যাকাণ্ড যারা ঘটিয়েছে, ১৩ সালে শাপলা চত্বরে যারা নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তাদের বিচার চাইতে এসেছি।


দেশে জঙ্গিবাদ নিয়ে সারজিস আলম বলেন, এই বাংলাদেশে যেমন জঙ্গিবাদ মেনে নেব না, তেমনি জঙ্গি নাটকও মেনে নেব না। এই বাংলাদেশে সিভিল সোসাইটি নামে সব দালালকে আর মেনে নেব না।

কুমিল্লা-৯ আসন পুনর্বহাল ও লাকসাম জেলা ঘোষণার দাবিতে মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ




নিজস্ব প্রতিবেদক: লাকসাম-মনোহরগঞ্জের সমন্বয়ে কুমিল্লা-৯ সংসদীয় আসন পূনর্বহাল এবং লাকসাম জেলা ঘোষণার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২ আগস্ট) বিকেলে লাকসাম জেলা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটি এ বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

লাকসাম জেলা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বদিউল আলম সুজনের নেতৃত্বে মিছিলটি দৌলতগঞ্জ স্টেশন জামে মসজিদ চত্বর থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের লাকসাম বাইপাসে বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়। 

সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে লাকসাম-মনোহরগঞ্জের সমন্বয়ে কুমিল্লা-৯ সংসদীয় আসন পূনর্বহাল ও

লাকসাম জেলা বাস্তবায়নের দাবি জানান। 

বক্তারা উল্লেখ করেন, কারো আবেদন কিংবা দাবি ছাড়াই কুমিল্লা-৯ আসনকে দ্বিখন্ডিত করা হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলার জন্য এই ধরনের হটকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ সময় তারা লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলাবাসীর প্রাণের দাবি হিসেবে কুমিল্লা-৯ আসনকে পুনর্বহালের জন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহবান জানান। 

এছাড়াও সমাবেশে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি লাকসামকে অবিলম্বে জেলা ঘোষণার আহবান জানানো হয়। 

বক্তারা কুমিল্লা-৯ আসন পুনর্বহাল ও লাকসাম জেলা বাস্তবায়নে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেন। অন্যথায় দাবি আদায়ে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধসহ বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, লাকসাম জেলা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বদিউল আলম সুজন, সাবেক কাউন্সিলর শাহাদাত হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুর রহিম, হাফেজ পেয়ার আহমদ, ফখরুল ইসলাম মাসুম, ফারুক আল সারাহ, নুরুল আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, আবুবকর জাহিদ।

লাকসাম জেলা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বদিউল আলম সুজন বলেন, কুমিল্লা-৯ লাকসাম-মনোহরগঞ্জ আসন নিয়ে কারো কোন অভিযোগ ছিল না, বিনা উস্কানিতে অন্তবর্তীকালিন সরকারকে বিপদে ফেলার জন্য এই হটকারি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আজকের জনরোষ দেখে এই প্রস্তাবনা থেকে সরে আসতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহবান জানান তিনি। একই সাথে লাকসামের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি লাকসামকে জেলা ঘোষণা করার জোর দাবিও জানান তিনি। তিনি বলেন, আজকের কর্মসূচীর পর নির্বাচন কমিশন কোন পদক্ষেপ না নিলে জনগনকে সাথে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেয়া হবে।


৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৯ হাজার কোটি টাকা


দেশের ইতিহাসে রেমিট্যান্স আসায় একের পর এক রেকর্ড হয়েছে। সর্বোচ্চ এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে যথাক্রমে মার্চ ও এপ্রিলে। রেমিট্যান্স আসার সেই ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে। চলমি মাস মে’র প্রথম সাত দিনেই ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় দেশে এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) যার পরিমাণ প্রায় ৯ হাজার কোটি (৮ হাজার ৯৬৭ কোটি) টাকা। আর প্রতিদিন আসছে ১০ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ১২৮১ কোটি টাকা। এভাবে রেমিট্যান্স এলে চলতি মাসে আবারও রেকর্ড হতে যাচ্ছে অর্থাৎ তিন বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করতে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, মে মাসের প্রথম সাত দিনে ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। যা তার আগের বছরের একই সময়ে (মে, ২০২৪) সাড়ে ১৩ কোটি ডলার বেশি। ২০২৪ সালের মে মাসের প্রথম সাত দিনে এসেছিল ৬০ কোটি ১০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স।

আর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই থেকে মে মাসের সাতদিন পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৫২৭ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। যা গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই থেকে মে মাসের সাতদিন পর্যন্ত এসেছিল এক হাজার ৯৭২ কোটি ডলার। সে হিসাবে গত অর্থবছরের তুলনায় এখন পর্যন্ত সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার বেশি এসেছে। অর্থবছরের হিসাবে চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত রেমিট্যান্স আসার প্রবৃদ্ধি ২৮.২ শতাংশ।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, আগস্টে এসেছে ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার, সেপ্টেম্বরে এসেছে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ, অক্টোবরে এসেছে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, নভেম্বর মাসে এসেছে ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে এসেছে ২৬৪ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি ডলার, মার্চে ৩২৯ কোটি ডলার এবং সবশেষ এপ্রিলে আসে ২৭৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স।

এপ্রিলের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২২৭ কোটি ডলার


 এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনে ২২৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছে প্রবাসীরা। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) যার পরিমাণ ২৭ হাজার ৭০৬ কোটি টাকা। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৮ কোটি ৭৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

আজ রোববার (২৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, এপ্রিলের প্রথম ২৬ দিনে দেশে এসেছে ২২৭ কোটি ১০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৮৫ কোটি ৩৮ লাখ ডলার।


এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১১ কোটি ৯৪ লাখ ১০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১২৯ কোটি ৩৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪২ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়, এপ্রিলের ২০ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত দেশের রেমিট্যান্স এসেছে ৫৫ কোটি ২৩ লাখ ২০ হাজার ডলার। ১৩ থেকে ১৯ এপ্রিল প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৬৬ কোটি ৬৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। ৬ থেকে ১২ এপ্রিল দেশে এসেছে ৯৩ কোটি ৩১ লাখ ৮০ হাজার ডলার। আর এপ্রিলের প্রথম ৫ দিনে দেশে এসেছিল ১১ কোটি ৯১ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

এদিকে, গত মার্চে দেশে এসেছে ৩২৮ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) যার পরিমাণ ৪০ হাজার ১৩৮ কোটি টাকা।

এর আগে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স (প্রায় ২৬৪ কোটি ডলার) এসেছিল গত ডিসেম্বরে। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছিল গত ফেব্রুয়ারিতে (প্রায় ২৫৩ কোটি ডলার)।

গত জানুয়ারি মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১৮ কোটি ৫২ লাখ মার্কিন ডলার।

আর সদ্য বিদায়ী ২০২৪ সালে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৬৮৮ কোটি ৯১ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে গত বছরের জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার, ফেব্রুয়ারিতে ২১৬ কোটি ৪৫ লাখ ৬০ হাজার, মার্চে ১৯৯ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার, এপ্রিলে ২০৪ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার, মে মাসে ২২৫ কোটি ৪৯ লাখ ৩০ হাজার, জুনে ২৫৩ কোটি ৮৬ লাখ, জুলাইতে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার, আগস্টে ২২২ কোটি ৪১ লাখ ৫০ হাজার, সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার, অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ ৮ হাজার, নভেম্বরে ২১৯ কোটি ৯৫ লাখ ১০ হাজার ও ডিসেম্বরে এসেছে ২৬৩ কোটি ৮৭ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার।

কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক


 বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল থানির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) কাতারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়

বৈঠকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল থানি, যিনি একইসঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীও। তিনি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং দেশ পুনর্গঠনে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে তিনি তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের একজনকে মনোনীত করবেন।

শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল থানি ড. ইউনূসকে বলেন, আমরা আপনার নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখি।

দেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষ, বিশেষ করে তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য নতুন সুযোগ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ সৃষ্টিসহ নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে পূর্ণ কূটনৈতিক, আর্থিক ও বিনিয়োগ সহায়তা কামনা করেন প্রধান উপদেষ্টা। প্রফেসর ইউনূস বলেন, আমাদের তরুণদের স্বপ্নের দেশ গড়তে আপনাদের সহযোগিতা চাই।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী বিস্তৃত সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনার জন্য কাতারে একটি টেকনিক্যাল টিম পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেন।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। রোহিঙ্গারা যাতে মর্যাদার সঙ্গে তাদের দেশে ফিরে যেতে পারে, তা নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য সমস্ত সহায়তার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।

প্রধান উপদেষ্টা আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের সংলাপ আয়োজনে সহায়তার জন্য কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি সংকট সমাধানে আরও আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি এবং এই সমস্যার টেকসই সমাধানে কাতারের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

দুই নেতা ফিলিস্তিনের গাজা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন। ড. ইউনূস দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, গাজাবাসীদের দুর্দশা নিয়ে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ এখনও নীরব। কাতারের প্রধানমন্ত্রী এই ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানের প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অনেক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও গাজা সংকট তুলে ধরার জন্য আল জাজিরাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি গতকাল কাতারভিত্তিক এই সংবাদ মাধ্যমের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন।

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের নারী ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণ প্রদান ও সুযোগ-সুবিধা নির্মাণসহ তাদের জন্য কাতারের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান— এই অনুরোধ শেখ মোহাম্মদ সানন্দে গ্রহণ করেন।

বৈঠকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, জ্বালানি উপদেষ্টা ফউজুল কবির খান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা-লাকসাম-নাথেরপেটুয়া রোডে তায়েফ এয়ারকন সার্ভিসের শুভ উদ্বোধন


ঢাকা-লাকসাম-নাথেরপেটুয়া রোডে তায়েফ এয়ারকন সার্ভিসের শুভ উদ্বোধন

উদ্বোধন করেন বাইতুল মোকাররম মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মিজানুর রহমান ও বিশিষ্ট সাংবাদিক নেতা, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ খন্দকার আলমগীর হোসাইন। ডিজিটাল মিডিয়া ফোরামের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো.মাইনউদ্দিন সোহাগ। 


এ সময় উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাহআলম মনির, মো. জসিম উদ্দিন পরিচালক, শওকত হোসেন  পরিচালক, আলমগীর হোসেন পরিচালক, মুস্তাফিজুর রহমান পরিচালক, সাইফুল ইসলাম শিপন পরিচালক, আশিক এলাহী,রুবেল হোসেন, অলিউল্লাহ পরিচালক প্রমুখ।

ইসলামী ব্যাংকের অর্ধেকের বেশি টাকা নিছে এস আলম গোষ্ঠী: চেয়ারম্যান

 



ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি থেকে নামে-বেনামে মোট ঋণের অর্ধেকের বেশি নিয়ে গেছে এস আলম গোষ্ঠী। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে নতুন বোর্ডের সভা শেষে ব্যাংকটির নতুন চেয়ারম্যান ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ব্যাংকটি ঋণ হিসেবে যত অর্থ বিতরণ করেছে, তার অর্ধেকের বেশি টাকা একাই নিয়েছে সাত বছর ধরে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণকারী ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গোষ্ঠী। এসব ঋণের পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখন বের করা হচ্ছে। এস আলমের ঋণের বিপরীতে যেসব সম্পদ বন্ধক দেওয়া আছে, তারও পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে। কারণ, এসব সম্পদের দাম বেশি দেখিয়ে ঋণ বের করা হয়েছে।

এ ছাড়া ইসলামী ব্যাংকের ঋণের বিপরীতে বন্ধক দেওয়া হয়নি, এস আলম গোষ্ঠীর এমন সম্পদের খোঁজ নিতে আইন মন্ত্রণালয়ের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান ব্যাংকের চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, এসব সম্পদ খুঁজে পাওয়ার পর তা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হওয়ায় এখন ‘প্রাণ খুলে’ কথা বলতে পারছেন বলে মন্তব্য করেন ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ।

ইসলামী ব্যাংক এস আলমের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করার পর আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ব্যাংকটির নতুন পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভা হয়। ওই সভা শেষে চেয়ারম্যান ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ ব্যাংকের পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

গত ২২ আগস্ট ইসলামী ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁকে নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। তিনি সোনালী ও রূপালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সোনালী ব্যাংকে এবং ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত রূপালী ব্যাংকের এমডি ছিলেন তিনি।

ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেন, হলমার্ক কেলেঙ্কারিরর পর সোনালী ব্যাংকের দায়িত্ব পেয়েছিলাম। হলমার্কের ঘটনা আলোচনায় আসার পরও সোনালী ব্যাংকে আমানত বেড়েছিল। ইসলামী ব্যাংকের সমস্যাটি অনেক বড়। এ জন্য আমরা দায়িত্ব নিয়েই পথনকশা প্রণয়ন করেছি। প্রতিদিন ব্যাংকে উপস্থিত থেকে তদারকির চেষ্টা করে যাচ্ছি। চলতি বছর পুরোটাই হবে গ্রাহকের আস্থা ফেরানোর বছর। সামনের বছরেও এ কাজ চলবে। ২০২৬-২৭ সাল হবে ঘুরে দাঁড়ানোর বছর। ২০২৮-৩০ সাল এগিয়ে যাওয়ার বছর।

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান বলেন, ২০২২ সাল থেকে ব্যাংকে তারল্যসংকট শুরু হয়। এখন ব্যাংকের গ্রাহক, প্রবাসী আয় পাঠানো গ্রাহক, শেয়ারধারী ও বিদেশি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান-কেউই ব্যাংকের ওপর আস্থা পাচ্ছেন না। এ জন্য ব্যাংকের প্রকৃত অবস্থা যাচাইয়ে তিনটি নিরীক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা ব্যাংকের ঋণ, বিনিয়োগ ও মানবসম্পদের ওপর নিরীক্ষা করবে। আগে ভালো নিরীক্ষা হয়নি, তাই আজ ব্যাংকের এই পরিণতি।

মনোহরগঞ্জে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ত্রাণ বিতরণ


 


সংবাদদাতা: বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন মনোহরগঞ্জ উপজেলা শাখার উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ফুডপ্যাকে ছিল চাল, তেল, আলু ও পেয়াজ। 

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) উপজেলার নাথেরপেটুয়াসহ বিভিন্ন স্থানে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ সয়ম উপস্থিত ছিলেন মনোহরগঞ্জ উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি কাতার প্রবাসী ব্যবসায়ি মোঃ জসিম উদদীন, ছাত্রশিবির কুমিল্লা জেলা দক্ষিণের সাবেক সভাপতি মু. মোস্তাফিজুর রহমান শামীম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুমিল্লা জেলা দক্ষিণের দপ্তর সম্পাদক মু. ইকবাল হাসান মাহমুদ, উপজেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল গোফরান, উপজেলা সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম, ওমর ফারুক, সাগর হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

জুনেও উচ্চ মূল্যস্ফীতি, খাদ্যে ১০ শতাংশ ছাড়িয়ে

 


দেশে দুই বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। এই পুরো সময় ধরে মূল্যস্ফীতির হার ৯ শতাংশের বেশি রয়েছে। মূল্যস্ফীতির রাশ টানতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও তাতে লাভ হয়নি। বরং মূল্যস্ফীতি উচ্চ স্তরেই রয়েছে, মাঝেমধ্যে কেবল সামান্য একটু ওঠানামা করছে। সদ্যবিদায়ী অর্থবছরের শেষ মাস জুনে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে শূন্য দশমিক ১৭ শতাংশ। একই সঙ্গে কমেছে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিও।

রোববার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবিএসের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, জুন মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ হয়েছে, গত মে মাসে যেটি ছিল ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ। চলতি বছরের শুরুতে দেশে হঠাৎ বেড়ে যাওয়া খাদ্য মূল্যস্ফীতি মে মাসের তুলনায় জুনে কমেছে শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশ। জুনে সার্বিক খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৪২ শতাংশ। মে মাসে যেটি ছিল ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

এদিকে মে মাসে সার্বিক খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৯ শতাংশ থাকলেও জুন মাসে সেটি কমে ৯ দশমিক ১৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া জুন মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ১৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮১ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ দশমিক ৩৯ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২৬ শতাংশ।

আর শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ দশমিক ৫৪ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

বিশ্লেষকেরা বলেন, মূল্যস্ফীতি একধরনের কর; ধনী-গরিবনির্বিশেষে সবার ওপর চাপ সৃষ্টি করে মূল্যস্ফীতি। আয় বৃদ্ধির তুলনায় মূল্যস্ফীতির হার বেশি হলে গরিব ও মধ্যবিত্ত মানুষ সংসার চালাতে ভোগান্তিতে পড়েন। দুই বছর ধরে চলা এই উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। প্রভাব পড়ছে মানুষের যাপিত জীবনে।

কোটাবিরোধী আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই: প্রধানমন্ত্রী


পড়াশোনা বাদ দিয়ে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে কোটাবিরোধী আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (৭ জুলাই) গণভবনে বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোটা বাতিলের আন্দোলন হচ্ছে। আমরা কোটা বাতিল করেছিলাম। কিন্তু এতে লাভ কী হলো। অনেক মেয়ে চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। অনেক জেলার মানুষও বঞ্চিত হয়েছে। এরকমই একজন মামলা করেছে। কিন্তু হাইকোর্টের রায়ে বহাল হয়েছে। পড়াশোনা বাদ দিয়ে ছেলেমেয়েরা আন্দোলন করছে। এর কোনো যৌক্তিকতা নেই।

এসময় পেনশন আন্দোলন নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজনীতিবিদদেরও সর্বজনীন পেনশন স্কিমে যুক্ত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য পেনশন স্কিম করা হয়েছে। জীবনের নির্ভরতার জন্য পেনশন। আমরা চাই সবাই একটু ভালোভাবে বাঁচুক।

অনুষ্ঠানে যুব মহিলা লীগের ওয়াবসাইট উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। নারীর ক্ষমতায় ও অগ্রগতিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন,

আন্দোলন- সংগ্রামে যুব মহিলা লীগ সব সময় ভূমিকা পালন করেছে। দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করেছে সংগঠনটি।

বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় যেভাবে নির্যাতন করেছে তা নিন্দারও যোগ্য নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, দলটি ভোট চুরি করে মাত্র দেড় মাস টিকেছে। গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে ২০০১ সালে ক্ষমতায় গিয়েছিল বিএনপি। ভোট চুরির অবপাদে ২ বার ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে তারা।

শৈশব থেকেই সন্তানদের বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

 

বিজ্ঞান শিক্ষায় গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিশুদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানের মাধ্যমে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ দিতে হবে। যেন একদিন তারা চাঁদ জয় করতে পারে। আমাদের একদিন চাঁদে যেতে হবে। কাজেই আমাদের সন্তানদের শৈশব থেকেই বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পূণর্ব্যক্ত করে ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৪’ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।অনুষ্ঠানে ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আজ এটাই চাই যে আমাদের বাংলাদেশ ২০৪১ সাল নাগাদ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ হিসেবে গড়ে উঠবে। যেখানে আমাদের স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট ও স্মার্ট সোসাইটি হবে। আজকের শিশুরা আগামী-দিনের স্মার্ট বাংলাদেশের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেবে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম যেন একটা সুন্দর জীবন পেতে পারে সে জন্য ‘ডেল্টা পরিকল্পনা-২১০০’ প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

সেই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের শিশুদের শিক্ষা-দীক্ষায়, সংস্কৃতি চর্চা, খেলাধুলা সবদিক থেকেই উপযুক্ত নাগরিক হিসেবেই গড়ে তুলতে চাই। আর তা করার জন্য যা যা করণীয় অবশ্যই তা করবো।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অর্থাৎ এ যে প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি শিশুকাল থেকেই ধীরে ধীরে তারা গড়ে উঠবে। দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে এবং দেশের উন্নয়নে তাদের চিন্তা-ভাবনা, তারা আরও নতুন নতুন উদ্ভাবনী শক্তি দিয়েই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সেটাই আমি চাই।’

আজকের শিশু আগামী-দিনের নাগরিক ও এ দেশের কর্ণধার হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ শিশুদের মধ্যদিয়েই কেউ মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী হবে, বড় বড় সংস্থায় চাকরি করবে, বৈজ্ঞানিক হবে। এমনকি এক সময় তো আমাদের চাঁদেও যেতে হবে। চাঁদও জয় করতে হবে।

তিনি বলেন, সেই বিজ্ঞানসম্পন্ন জ্ঞান যেন আমাদের শিশুরা এখন থেকেই পায় সেই জন্য ব্যবস্থা করতে হবে। এরই মধ্যে গবেষণা ও শিক্ষার জন্য আমি বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় করেছি। অ্যারোনটিক্যাল সেন্টার করে দিয়েছি। কাজেই এখন থেকেই শিশুদের সেইভাবে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

শিক্ষা-সপ্তাহ উপলক্ষে ১৮টি ক্যাটাগরিতে ১২৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৬ জন শিক্ষার্থী, ১৫ ব্যক্তি এবং তিনটি সংস্থা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পদক নেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষার উন্নয়নে সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ওপর একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

আরো এগিয়ে উপকূলের কাছাকাছি ঘূর্ণিঝড় রিমাল


 বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমাল আরো এগিয়ে উপকূলের কাছাকাছি এসেছে। ঘূর্ণিঝড়টির সামনের অংশের প্রভাবে দেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হচ্ছে। এর কেন্দ্র আজ রবিবার (২৬ মে) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী তিন-চার ঘণ্টার মধ্যে বাগেরহাটের মোংলার কাছ দিয়ে বাংলাদেশের পটুয়াখালীর জেলার খেপুপাড়া ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাগর দ্বীপ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

আজ রবিবার (২৬ মে) বেলা ২টার সর্বশেষ বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব বিষয় জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

 নদীবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় ১৬ জেলায় বিপৎসংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অফিস।

বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ আরো উত্তর দিকে অগ্রসর হয়েছে। এটি আজ দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৩১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২২০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরো উত্তর দিকে অগ্রসর হতে পারে।

প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। এর কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরসহ উপকুলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা ও পটুয়াখালীকে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরসহ উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুর এবং তাদের কাছের দ্বীপ ও চরগুলো ৯ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় রয়েছে।

এ ছাড়া খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার নদী বন্দরগুলোকে ৪ নম্বর নৌ-মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলের ১৬ জেলা এবং তাদের কাছের দ্বীপ ও চরগুলো স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮ থেকে ১২ ফুট ফুট বেশি উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে দেশের সব বিভাগেই দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ ভারী (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারী (৮৯ মিলিমিটার বা বেশি) বর্ষণ হতে পারে। অতি ভারী বর্ষণের প্রভাবে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ী অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে।

এদিকে দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান আজ রবিবার এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় রিমাল সন্ধ্যা নাগাদ উপকূলে আঘাত হানবে, মধ্যরাতে বাংলাদেশ পার হবে। উপকূলীয় এলাকায় গতিবেগ ১২০ কিমি থাকবে। সারা দেশ বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। দেশের ভেতরে নৌ চলাচল বন্ধ থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি, মানুষের জান-মালের নিরাপত্তায় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। অভিজ্ঞতা অনুযায়ী প্রস্ততি নিয়েছি। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার সব মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনা হয়েছে। চিকিৎসা সামগ্রী, শুকনো খাবার আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। সমস্ত প্রশাসন প্রস্তুত আছে। আশ্রয়কেন্দ্রে ৮ লাখের বেশি মানুষ এসেছে। মহাবিপদ সংকেত যেহেতু তাই উপকূলের সব মানুষকে আনা হয়েছে। পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্রে আছে। সশস্ত্র বাহিনীসহ অন্য বাহিনীগুলোও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’

থাইল্যান্ড সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে মাইলফলক হয়ে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, থাইল্যান্ডে সরকারি সফর দুই দেশে ফলপ্রসূ অংশীদারিত্বের নতুন যুগ সূচনা করেছে। এই সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে মাইলফলক হয়ে থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে থাইল্যান্ড সফরের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ হাইটেক পার্কে থাইল্যান্ডকে বিনিয়োগে আহ্বান জানানো হয়। ইউএনএসক্যাপে সব ধরণের আগ্রাসন-নৃশংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার ও যুদ্ধকে ‘না’ বলার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছি।

তিনি বলেন, কৃষি উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে কৃষিখাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা থাইল্যান্ডের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা সুদৃঢ় করতে পারি। এজন্য থাইল্যান্ডের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেছি। আমরা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির ব্যাপারে আলোচনা করি। থাইল্যান্ডকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগেরও আহ্বান জানাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অধিকতর উন্নয়নকল্পে আমরা গঠনমূলক আলোচনা করি। এ সময় আমি ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি জ্ঞানভিত্তিক, ডিজিটালাইজড এবং জলবায়ু সহনশীল দেশে রূপান্তর এবং বাংলাদেশকে একটি স্মার্ট দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে মূল্যবান অংশীদার হিসেবে থাইল্যান্ডের সহযোগিতা কামনা করি।

সংসদ অধিবেশন শুরু


দ্বাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (০২ মে) বিকেল ৫টায় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে এ অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার সভাপতিমণ্ডলীর নাম ঘোষণা করেন।

তারা হলেন- এম এ মান্নান, আসাদুজ্জামান নুর, শফিকুল ইসলাম শিমুল, গোলাম কিবরিয়া টিপু ও ফজিলাতুন্নেছা। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতি নামের অগ্রবর্তিতা অনুযায়ী সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন।

এর পর অধিবেশনে ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব আনা হয়। গত ১৬ মার্চ আব্দুল হাই থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এ ছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য শামছুল হক ভূঁইয়া, আবুল হাসেম খান, পিনু খান, নজির হোসেন ও মোখলেছুর রহমান এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভাষা সৈনিক, একুশে পদকপ্রাপ্ত ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু, একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রবীণ সাংবাদিক ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ ড. প্রণব কুমার বড়ুয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়।

এরপর সংসদ সদস্য আব্দুল হাইয়ের শোক প্রস্তাবের উপর আলোচনা শুরু হয়।

Blogger দ্বারা পরিচালিত.