Header Ads

Header ADS
রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

‘আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত’: হট্টগোলের পর স্পিকার


 জাতীয় সংসদে হট্টগোল ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে বর্তমান সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট হট্টগোল ও বাগবিতণ্ডার পর সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

স্পিকার বলেন, ‘আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত। আজকে একে অপরকে কথা বলার সুযোগকে যেভাবে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টা দেখেছি, এটা সংসদের জন্য ভালো লক্ষণ নয়।’

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে সচল রাখতে এবং জনগণের এই প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর রাখতে হলে সংসদের কার্যপ্রণালির বিধি (রুলস অব প্রসিডিউর) কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আপনাদের বলব, সংসদের রুলস অব প্রসিডিউর পড়ুন। স্পিকার যখন কথা বলেন, তখন সবাইকে বসে শুনতে হয়। এই আইন-নীতি যদি না মানেন, ভঙ্গ করেন, তাহলে এই সংসদ বেশিদিন চলবে না।’

জাতীয় সংসদে নিজের ৪০ বছরের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে স্পিকার বলেন, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি কার্যকর ও সুন্দর সংসদ উপহার দেওয়ার জন্য সব সংসদ সদস্যকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

যে বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা

এর আগে কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা হলো, বুঝতে পারিনি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর সংসদে হট্টগোল ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যদি কথাই বলতে না দেন, তাহলে কিসের বাকস্বাধীনতা।’

এরপর বিরোধী দলের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্পিকার সংসদ সদস্যদের শান্ত থাকার এবং সংসদের কার্যপ্রণালির বিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

লাকসাম-মনোহরগঞ্জ নির্বাচনী আসন পূর্নবহাল রাখার দাবিতে নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান

 


লাকসাম-মনোহরগঞ্জ নির্বাচনী আসন পূর্নবহাল রাখার দাবিতে নির্বাচন কমিশনারের  কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন লাকসাম--মনোহরগঞ্জের সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষ। আজ সকাল ১১ টায়  নির্বাচন কমিশনারে কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।  এতে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক সংগঠন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। নেতারা উল্লেখ করেন যে স্বাধীনতার পর থেকে এ  আসন কখনো আলাদা করা হয় নাই,কিন্তু এখন কেন আলাদা করা হয়েছে তা জনগণ জানতে চায়। অবিলম্বে লাকসাম-মনোহরগঞ্জকে আসনকে পূর্ণবহাল করা হোক তা না হলে জনগণ আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

স্মরণকালের বৃহত্তর গনমিছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চৌদ্দগ্রাম উপজেলা

 


স্মরণকালের বৃহত্তর গনমিছিল

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চৌদ্দগ্রাম উপজেলা

জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করলেন প্রধান উপদেষ্টা


 জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠানস্থল পাঠ শুরু করেছেন প্রধান উপদেষ্টা।

ঘোষণাপত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো :

১। যেহেতু উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের সুদীর্ঘকালের ধারাবাহিকতায় এই ভূখণ্ডের মানুষ দীর্ঘ ২৩ বছর পাকিস্তানের স্বৈরশাসকদের বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল এবং নির্বিচার গণহত্যার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করে জাতীয় মুক্তির লক্ষ্যে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল;

২। যেহেতু, বাংলাদেশের আপামর জনগণ দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই ভূখণ্ডে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে বিবৃত সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে;


৩। যেহেতু স্বাধীন বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন পদ্ধতি, এর কাঠামোগত দুর্বলতা ও অপপ্রয়োগের ফলে স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযুদ্ধের জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল এবং গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা ক্ষুণ্ণ করেছিল;


৪। যেহেতু স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনতার মূলমন্ত্র গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার বিপরীতে বাকশালের নামে সাংবিধানিকভাবে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করে এবং মতপ্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করে, যার প্রতিক্রিয়ায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশে সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে একদলীয় বাকশাল পদ্ধতির পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র, মতপ্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা পুনঃপ্রবর্তনের পথ সুগম হয়,


৫। যেহেতু আশির দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় বছর ছাত্র-জনতার অবিরাম সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং ১৯৯১ সালে পুনরায় সংসদীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।


৬। যেহেতু দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সরকার পরিবর্তনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ায় ১/১১-এর ষড়যন্ত্রমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার একচ্ছত্র ক্ষমতা, আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদের পথ সুগম করা হয়;


৭। যেহেতু গত দীর্ঘ ষোল বছরের ফ্যাসিবাদী, অগণতান্ত্রিক এবং গণবিরোধী শাসনব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে এবং একদলীয় রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অতি উগ্র বাসনা চরিতার্থ করার অভিপ্রায়ে সংবিধানের অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক পরিবর্তন করা হয় এবং যার ফলে একদলীয় একচ্ছত্র ক্ষমতা ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়;


৮। যেহেতু শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসন, গুম-খুন, আইন-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ এবং একদলীয় স্বার্থে সংবিধান সংশোধন ও পরিবর্তন বাংলাদেশের সব রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে;


৯। যেহেতু, হাসিনা সরকারের আমলে তারই নেতৃত্বে একটি চরম গণবিরোধী, একনায়কতান্ত্রিক ও মানবাধিকার হরণকারী শক্তি বাংলাদেশকে একটি ফ্যাসিবাদী, মাফিয়া এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রের রূপ দিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে;


১০। যেহেতু, তথাকথিত উন্নয়নের নামে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী নেতৃত্বে সীমাহীন দুর্নীতি, ব্যাংক লুট, অর্থ পাচার ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসের মধ্য দিয়ে বিগত পতিত দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশ ও এর অমিত অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বিপর্যস্ত করে তোলে এবং এর পরিবেশ, প্রাণবৈচিত্র্য ও জলবায়ুকে বিপন্ন করে;


১১। যেহেতু শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দল, ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনসহ সমাজের সর্বস্তরের জনগণ গত প্রায় ষোল বছর যাবত নিরন্তর গণতান্ত্রিক সংগ্রাম করে জেল-জুলুম, হামলা-মামলা, গুম-খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়;


১২। যেহেতু বাংলাদেশে বিদেশি রাষ্ট্রের অন্যায় প্রভুত্ব, শোষণ ও খবরদারিত্বের বিরুদ্ধে এ দেশের মানুষের ন্যায়সংগত আন্দোলনকে বহিঃশক্তির তাঁবেদার আওয়ামী লীগ সরকার নিষ্ঠুর শক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমে দমন করে;


১৩। যেহেতু অবৈধভাবে ক্ষমতা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগ সরকার তিনটি প্রহসনের নির্বাচনে (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪-এর জাতীয় সংসদ নির্বাচন) এ দেশের মানুষকে ভোটাধিকার ও প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত করে;


১৪। যেহেতু, আওয়ামী লীগ আমলে ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, শিক্ষার্থী ও তরুণদের নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করা হয় এবং সরকারি চাকরিতে একচেটিয়া দলীয় নিয়োগ ও কোটাভিত্তিক বৈষম্যের কারণে ছাত্র, চাকরিপ্রত্যাশী ও নাগরিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের জন্ম হয়;


১৫। যেহেতু বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ওপর চরম নিপীড়নের ফলে দীর্ঘদিন ধরে জনরোষের সৃষ্টি হয় এবং জনগণ সব বৈধ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই চালিয়ে যায়;


১৬। যেহেতু, সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটাব্যবস্থার বিলোপ ও দুর্নীতি প্রতিরোধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক ব্যাপক দমন-পীড়ন, বর্বর অত্যাচার ও মানবতাবিরোধী হত্যাকাণ্ড চালানো হয়, যার ফলে সারা দেশে দল-মত নির্বিশেষে ছাত্র-জনতার উত্তাল গণবিক্ষোভ গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়;


১৭। যেহেতু ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে অদম্য ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক দল, ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী, শ্রমিক সংগঠনসহ সমাজের সব স্তরের মানুষ যোগদান করে এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বাহিনী রাজপথে নারী-শিশুসহ প্রায় এক হাজার মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে, অগণিত মানুষ পঙ্গুত্ব ও অন্ধত্ব বরণ করে এবং আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা জনগণের গণতান্ত্রিক লড়াইকে সমর্থন প্রদান করে;


১৮। যেহেতু, অবৈধ শেখ হাসিনা সরকারের পতন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের লক্ষ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে জনগণ অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে, পরবর্তী সময়ে ৫ আগস্ট ঢাকা অভিমুখে লংমার্চ পরিচালনা করে এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনরত সব রাজনৈতিক দল, ছাত্র-জনতা তথা সর্বস্তরের সব শ্রেণি, পেশার আপামর জনসাধারণের তীব্র আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে গণভবনমুখী জনতার উত্তাল যাত্রার মুখে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়;


১৯। যেহেতু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট মোকাবিলায় গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ব্যক্ত জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রত্যয় ও প্রয়োগ রাজনৈতিক ও আইনি উভয় দিক থেকে যুক্তিসঙ্গত, বৈধ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত;


২০। যেহেতু জনগণের দাবি অনুযায়ী এরপর অবৈধ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে সুপ্রিম কোর্টের মতামতের আলোকে সাংবিধানিকভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়;


২১। যেহেতু, বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের ফ্যাসিবাদবিরোধী তীব্র আকাঙ্ক্ষা এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়;


২২। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ সুশাসন ও সুষ্ঠু নির্বাচন, ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ, আইনের শাসন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে বিদ্যমান সংবিধান ও সব রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের গণতান্ত্রিক সংস্কার সাধনের অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে;


২৩। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ বিগত ষোল বছরের দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম কালে এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক সংঘটিত গুম-খুন, হত্যা, গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সব ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি লুণ্ঠনের অপরাধগুলোর দ্রুত উপযুক্ত বিচারের দৃঢ় অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে;


২৪। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদকে জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে প্রয়োজনীয় সব আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।


২৫। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ যুক্তিসঙ্গত সময়ে আয়োজিতব্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে প্রতিশ্রুত প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশা, বিশেষত তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আইনের শাসন ও মানবাধিকার, দুর্নীতি, শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।


২৬। সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছে যে, একটি পরিবেশ ও জলবায়ুসহিষ্ণু অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার সংরক্ষিত হবে।


২৭। বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।


২৮। ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হলো।

আওয়ামী লীগের গুম-খুন ও লুটপাটের বিচার করা হবে


 বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সংঘটিত গুম-খুন, হত্যা, গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সব ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন এবং লুটপাটের দ্রুত উপযুক্ত বিচার করা হবে।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠান মঞ্চে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ কথা জানান।

 উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের জনগণ বিগত ১৬ বছরের দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম কালে এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক সংঘটিত গুম-খুন, হত্যা, গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সব ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি লুণ্ঠনের অপরাধসমূহের দ্রুত উপযুক্ত বিচারের দৃঢ় অভিপ্রায় ব্যক্ত করা হচ্ছে।

কুমিল্লা-৯ আসন পুনর্বহাল রাখতে যা যা করা লাগে আমি তাই করবো- সামিরা আজিম দোলা


 কুমিল্লা-৯ আসন পুনর্বহাল রাখতে যা যা করা লাগে আমি তাই করবো- সামিরা আজিম দোলা

নাঙ্গলকোট দূবৃর্ত্তরা কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করলো সাবেক ইউপি সদস্যকে


 নাঙ্গলকোট দূবৃর্ত্তরা কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করলো সাবেক ইউপি সদস্যকে চাচাতো ভাইয়ের জানাযা শেষে বাড়ি ফেরার পথে দূবৃর্ত্তরা তুলে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে ও গুলি করে সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আলাউদ্দিনকে হত্যা করেছে বলে স্বজনরা অভিযোগ করেন। রোববার দুপুর সোয়া ১ টার দিকে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার চান্দাশ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলাউদ্দিন বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের আলিয়ারা গ্রামের মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে। নিহতের স্বজনরা জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরে রোববার দুপুরে ওঁৎ পেতে থাকে একদল দূর্বৃত্ত। আলাউদ্দিন তার চাচাতো ভাইয়ের জানাযার নামাজ শেষে বাড়িতে প্রবেশের সময় হাত বেঁধে সিএনজি চালিত অটোরিকশাতে তুলে নেয়। পরে বাড়ি থেকে অন্তত ১০ কিলোমিটার দূরে চান্দাশ এলাকায় নিয়ে গিয়ে হাত পা বেঁধে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে সড়কের পাশে ফেলে দেয়। পরে স্বজনরা আলাউদ্দিনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। নাঙ্গলকোট থানার ওসি একে ফজলুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।

ফের হাসপাতালে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া


 পাঁচ মাসের বেশি সময় এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি বাসায় ফেরেন খালেদা জিয়া। এদিকে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ হাসপাতালে যাবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

এ তথ্য নিশ্চিত করে বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবীর খান বলেন, ‘বিকেল ৪টার পরে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন।’

গত বছরের ৯ আগস্ট হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের সমস্যাসহ নানা রোগে ভুগছেন।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গত ২৫ অক্টোবর মার্কিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল ঢাকায় আসে। উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে তার পরিবারের সদস্যরা সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে আসছেন।

কারাদণ্ড পাওয়া বিএনপি চেয়ারপারসনকে ২০২০ সালে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়।

৭ প্রার্থীর ৬ জনই জামানত হারালেন কুমিল্লা-৯ আসনে

 


নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় সংসদের ২৫৭, কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে ৭ প্রার্থীর মধ্যে ৬ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এ আসনে ৫ম বারের মত নির্বাচিত হয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম।

এ আসনে লাকসামের ৬৬টি ও মনোহরগঞ্জের ৬০টিসহ দু'উপজেলার ১২৬টি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম নৌকা প্রতীকে ২,৩৩,৯৪৬ ভোট পেয়ে ৫ম বারের মতো জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪,৪৩,৫৪৮ জন। প্রাপ্ত ভোট ২,৬২,৪৬৫টি। বাতিল ভোটের সংখ্যা ৫,৯২২টি, বৈধ ভোট ২,৫৬,৫৪৩টি। প্রাপ্ত ভোটের হার ৫৯.২৪%।

অপরদিকে, প্রাপ্ত ভোটের ৫% ভোটও না পেয়ে জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মীর মোঃ আবু বকর সিদ্দিক। তিনি চেয়ার প্রতীকে পেয়েছেন ৮,২৬০ ভোট, জাতীয় পার্টির প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম মোস্তফা কামাল লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৬,১৫৯ ভোট, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের মোঃ জমির উদ্দিন গামছা প্রতীকে পেয়েছেন ৩,১৪৬ ভোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন জালালী মোমবাতি প্রতীকে পেয়েছেন ২,৮২৭ ভোট, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ-ইনু) বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল আনোয়ার মশাল প্রতীকে পেয়েছেন ১,৫৭৫ ভোট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মোঃ হাছান মিয়া নোঙ্গর প্রতীকে পেয়েছেন ৬৩০ ভোট।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল হাই সিদ্দিকী এবং মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজালা রানী চাকমা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

৫ম বারের মত বিজয়ী হলেন তাজুল ইসলাম


 নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় সংসদের ২৫৭, কুমিল্লা-৯ আসনে লাকসাম ও মনোহরগঞ্জের ১২৬টি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ২,৩৩,৯৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ মনোনীত মীর মোঃ আবু বকর সিদ্দিক চেয়ার প্রতীকে পেয়েছেন ৮,২৬০ ভোট।

অপরদিকে, জাতীয় পার্টির প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম মোস্তফা কামাল লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৬,১৫৯ ভোট, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের মোঃ জমির উদ্দিন গামছা প্রতীকে পেয়েছেন ৩,১৪৬ ভোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন জালালী মোমবাতি প্রতীকে পেয়েছেন ২,৮২৭ ভোট, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ-ইনু) বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল আনোয়ার মশাল প্রতীকে পেয়েছেন ১,৫৭৫ ভোট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মোঃ হাছান মিয়া নোঙ্গর প্রতীকে পেয়েছেন ৬৩০ ভোট। 

এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪,৪৩,৫৪৮ জন। প্রাপ্ত ভোট ২,৬২,৪৬৫টি। বাতিল ভোটের সংখ্যা ৫,৯২২টি। মোট বৈধ ভোট ২,৫৬,৫৪৩টি। প্রাপ্ত ভোটের হার ৫৯.২৪%।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল হাই সিদ্দিকী এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজালা রানী চাকমা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

নির্বাচন গ্রহণযোগ্য না হলে আমাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত : ইসি আনিছুর

 


আসন্ন জাতীয় নির্বাচন যদি সুষ্ঠু, সুন্দর এবং গ্রহণযোগ্য না করতে পারি, তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান।

রোববার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আনিছুর রহমান বলেন, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন না হলে বাংলাদেশের আর্থিক, সামাজিক ও ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সবকিছু থমকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হয়তোবা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

তিনি বলেন, গত ২৮ নভেম্বর থেকে মাঠে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আছেন। তারা আচরণবিধি প্রতিপালনে কাজ করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে। এবারই প্রথম প্রতিটা আসনে সার্বক্ষণিক জুডিশিয়াল অফিসার দিয়ে ইলেকট্রোরাল এনকোয়ারি করা হয়েছে। উভয়ই মাঠে খুব ভালো কাজ করেছেন। এ কারণে নির্বাচনকে যে কোনো মূল্যে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য করতে হবে।

নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম। সেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন চৌধুরী, ইটিআই মহাপরিচালক এস এম আসাদুজ্জামানসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির ২৩ নেতা বহিষ্কার

 দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একদিনে দলের ২৩ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন- রাঙ্গামাটি পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর বন্দর থানার সহসভাপতি আবু জহুর, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহশ্রমবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল হক সেলিম, মৌলভীবাজার পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাধব দে, টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা বিএনপির সদস্য ইসরাফুল ইসলাম কামাল, সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান ঠান্ডু, কালিহাতী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক রাশিদুল ইসলাম রতন, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন, কালিয়াকৈর পৌর বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক হারিজ উজ্জামান (হারিজ), শেরপুর জেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, সদস্য ফিরোজ খান মুন, শ্রীবর্দী উপজেলার ভেলুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম, শেরপুর পৌর শাখার ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছানুয়ার হোসেন সেলু, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল করিম (রেজা মিয়া)।

   


নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান মুকুল, সদস্য ও ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু, বন্দর উপজেলা বিএনপি নেতা হান্নান সরকার, সুলতান আহম্মেদ, গোলাম নবী মুরাদ, সোনারগাঁ থানার ১৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি মো. নুরুজ্জামান, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য আবুল হোসেন প্রধানীয়া, দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার আলীহাট ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গোলাম মোস্তফা ও সদস্য গোলাপ হোসেন।

রিজভীকে খুঁজছি, শিগগির গ্রেপ্তার: ডিবি


 বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে খোঁজা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, রিজভীকে শিগগির আইনের আওতায় আনা হবে। রিজভী বিভিন্ন আন্দোলনের ঘোষণা করেন। এরপর আন্দোলনের নামে নাশকতা করা হয়। ভোট দেয়া মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের যেতে নিরুৎসাহিত করছেন তিনি। রিজভীর বিরুদ্ধে আরও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। রোববার দুপুরে মিন্টো রোডের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

   
Advertisement: 0:06

হারুন বলেন, যাদের বিরুদ্ধে মামলা ছিল অনেক বড় বড় নেতাকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। রুহুল কবির রিজভীকে খোঁজা হচ্ছে, তাকেও শিগগির আইনের আওতায় আনা হবে। রিজভীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, একজন অসুস্থ মানুষ একটু পর পর আন্দোলনের ঘোষণা করেন। একজন অসুস্থ মানুষ কীভাবে এসব আন্দোলনের ঘোষণা করেন।

বিজ্ঞাপন
নির্বাচন বানচালের ঘোষণা দেয়। যদি তিনি সত্যিই অসুস্থ থাকেন তাহলে আদালতে গিয়ে হাজিরা দিতে পারেন।

লাকসামে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর নির্বাচনী সভা

 


নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি ক্ষমতায় এসে এ দেশকে জঙ্গিরাষ্ট্র বানিয়েছে। তারা এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনও বাড়াতে পারেনি। চলমান বহু উন্নয়ন প্রকল্প বন্ধ করে দিয়েছিল তারা। 

আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে লাকসামেই শতশত কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে। আর সারাদেশে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে।

শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা-৯ লাকসাম-মনোহরগঞ্জ আসনে ৫টি ইউনিয়নের নেতা-কর্মীদের সাথে নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় কথাগুলো বলেন, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

সভায় মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে পাকিস্তানের ২৫ কোটি মানুষের জিডিপি ৩৪৮ কোটি টাকা আর বাংলাদেশের জিডিপি ৭শ' কোটি টাকা।

মন্ত্রী আরও বলেন, একসময় প্যারিস কনসোর্টিয়ামে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী দাতা সংস্থাগুলো থেকে ঋণ প্রাপ্তির জন্য দেন দরবার করতেন। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো আমাদের কাছে এসে তারা ঋণ দিতে ইচ্ছা পোষণ করে। কারণ বাংলাদেশ কখনো ঋণ খেলাপি হয়নি এবং বাংলাদেশের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা থাকার ফলে বিদেশী সংস্থাগুলো ঋণ দিতে আগ্রহী।

মন্ত্রী তাজুল ইসলাম আসন্ন নির্বাচনে ৭০% ভোট পাওয়ার প্রত্যাশা করে নেতা-কর্মীদের প্রতি প্রত্যেক ভোটারের দ্বারে দ্বারে, মা-বোনদের কাছে যাওয়ার আহবান জানান। এ সময় তিনি প্রত্যেক বুথের ভোট দেখবেন বলেও নেতা-কর্মীদের জানান। কোন জ্বীন-ভুতের ভোট নয়; বরং মানুষের ভোট হতে হবে। মানুষের ভালোবাসা অর্জন করে ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। জোর জবরদস্তি করা যাবে না।

উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ইউনুস ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে লাকসাম পৌর বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদ সদস্য মেজর (অব.) হাবিবুর রহমান, পৌর আ'লীগ সভাপতি তাবারক উল্লাহ কায়েস, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম হিরা, কুমিল্লা বারের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু তাহের, লাকসাম-মনোহরগঞ্জ বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি অহিদ উল্লাহ মজুমদার, পৌর মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক অধ্যাপক আবুল খায়ের, মন্ত্রীর ছেলে মাইদুর রহমান ও সাইদুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান আলী আহমদ, আব্দুল আউয়াল, শাহিদুল ইসলাম শাহিন, আবদুর রশিদ সওদাগর, নিজাম উদ্দিন শামিম, ওমর ফারুক, নজরুল ইসলাম, ইমাম হোসেনসহ উপজেলার মুদাফরগঞ্জ উত্তর, মুদাফরগঞ্জ দক্ষিণ, বাকই দক্ষিণ, কান্দিরপাড়, লাকসাম পূর্ব ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

একইদিন উপজেলার আজগরা, গোবিন্দপুর, উত্তরদা ইউনিয়ন ও লাকসাম পৌরসভা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

আসন ভাগাভাগি ছাড়াই শেষ হলো ১৪ দলের বৈঠক

 শরিকদের মধ্যে আসন ভাগাভাগি ছাড়াই শেষ হয়েছে ১৪ দলের বৈঠক। প্রায় পৌনে ৪ ঘণ্টা বৈঠক শেষে রাত ১০টার দিকে ১৪ দলের নেতারা এ তথ্য জানান।

এর আগে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর গণভবনে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠক শেষে ১৪ দলের নেতারা জানান, ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমুর ওপর আসন ভাগাভাগির ভার দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই-একদিনের মধ্যে তিনি বিষয়টি চূড়ান্ত করবেন।



কুমিল্লার ১১ আসনে ৪৮ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল, ৭৩ জন বৈধ

 


কুমিল্লায় ১১ আসনে ৪৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।  বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে ৭৩ জন প্রার্থীর নির্বাচন এই মনোনয়ন পত্র। গতকাল রবিবার ও আজ সোমবার জেলা  কর্মকর্তার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে দুইদিন ব্যাপী জেলার ১১ টি আসনের ১২১ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়।  যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা খন্দকার মুশফিকুর রহমান জানান,  কুমিল্লা-১ আসনে বাতিল করা হয়েছে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন,  বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে ৬  জনের। কুমিল্লা-২ আসনে বাতিল হয়েছে ৬ জনের, বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন। কুমিল্লা - ৩ আসনে বৈধপ্রার্থী সংখ্যা ৬,  বাতিল করা হয়েছে ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন।  কুমিল্লা -৪ আসনে বৈধ ১৩ জন,  বাতিল করা হয়েছে একজন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র। কুমিল্লা -৫ আসনে বৈধ ৬ জন,  বাতিল ৫ জন।  কুমিল্লা- ৬ আসনে মনোনয়নের বৈধতা পেয়েছেন ৫ জন, বাতিল করা হয়েছে ১ জনকে। কুমিল্লা-৭ আসনে মনোনয়ন পত্র বৈধতা পেয়েছে ৬ জন, বাতিল হয়েছে ৪ জনের।  কুমিল্লা ৮ আসনে মনোনয়নপত্র বৈধতা পেয়েছে ১১ জন,  বাতিল হয়েছে ৪ জনের মনোনয়ন পত্র। কুমিল্লা নয় আসনে ৬ জনের মনোনয়ন পত্র বৈধ হয়েছে,  ৩ জনের মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।  কুমিল্লা -১০ আসনে ৩ জন বৈধ, ৪ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে এবং কুমিল্লা - ১১ আসনে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে ৫ জনকে,  বাতিল করা হয়েছে ৬ জনকে।

নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না জাতিসংঘ


 দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের জনগণ যাতে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারে তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। সেইসঙ্গে সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না তারা।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক প্রেস ব্রিফিংয়ে একথা জানানো হয়।

ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন করা হয়, হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে বিরোধী দলের নেতা-কর্মী ও সমালোচকদের ওপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চলমান দমন-পীড়ন একটি অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান অসম্ভব করে তুলেছে। বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ মহাসচিব কী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন?

জবাবে জাতিংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র বলেন, না, আমাদের সেরকম কিছু নেই। জাতিসংঘ এ নির্বাচনে কোনো পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না। সুনির্দিষ্ট/বিশেষ কোনো কারণ না থাকলে আমরা এটা করিও না। আমরা মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং অন্যান্য সংস্থার প্রতিবেদন দেখেছি। আমরা আবারও সংশ্লিষ্ট সব দলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যাতে জনগণ অবাধে, স্বাধীনভাবে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারে, তা যেন হয়রানি মুক্ত হয়।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির জন্য আর কোনো স্পেস নেই: ওবায়দুল কাদের


 নির্বাচন কেন্দ্র করে বিএনপির জন্য আর কোনো স্পেস নেই মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নিজেরাই সেই সুযোগ নষ্ট করেছে। বিএনপির শেষ কথার পর আওয়ামী লীগের আর কোনো আহ্বান থাকতে পারে না।

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির শেষ কথার পর আওয়ামী লীগের কোনো আহ্বান থাকতে পারে না। বিএনপির জন্য আর কোনো স্পেস নেই। তারা নিজেরাই সেই সুযোগ নষ্ট করেছে।

নির্বাচন নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন যা চায়, আওয়ামী লীগ তাই চায় বলে মন্তব্য করেন সেতুমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে একমত। আমরাও চাই ইউরোপীয় ইউনিয়ন যা বলেছে, আমরা তাদের সঙ্গে একমত।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নির্বাচনকে নিয়ে যত বিভ্রান্তি হয়েছে, যত অপবাদ ছাড়ানো হয়েছে, সেখানে কিন্তু অনেকে ভেবেছিল বিদেশি পর্যবেক্ষক সাড়া দেবে না। কিন্তু শতাধিক পর্যবেক্ষক অলরেডি সাড়া দিয়েছে। এ নিয়ে আমরা চিন্তিত না।

পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে পিটার হাসের বৈঠক

 


পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। বৈঠকে ঢাকায় অবস্থানরত ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান, উত্তর আমেরিকা অনুবিভাগের মহাপরিচালক খন্দকার মাসুদ উল আলম উপস্থিত ছিলেন।  

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যান্ত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বজুড়ে শ্রম ইস্যুতে তাদের নীতি জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে। ওই নীতি ঘোষণার দিনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিনকেন বাংলাদেশের গার্মেন্টস অধিকার নিয়ে কাজ করা নেত্রী কল্পনা আক্তারের জেল-জুলুমের প্রসঙ্গ টেনেছেন। প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ওই মেমোরেন্ডাম বলে বাংলাদেশকে টার্গেট করা হতে পারে এমন আশঙ্কা ব্যক্ত করে ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাস এরই মধ্যে সরকারকে এ ব্যাপারে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার জন্য আগেই ভিসানীতি ঘোষণা করেছে ওয়াশিংটন। সেই নীতি কার্যকরও হচ্ছে। 

পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে পিটার হাসের আজকের বৈঠকের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো তেমন কিছু জানানো হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে সমসাময়িক বিষয়াদি নিয়েই হয়তো এই বৈঠক হয়েছে। সঙ্গত কারণেই সেখানে, রাজনীতি, শ্রমনীতি, নির্বাচন প্রসঙ্গ আসবে।

স্মরণ করা যায়, পূর্বনির্ধারিত ১০ দিনের ছুটি কাটিয়ে সোমবার ঢাকায় ফিরেছেন পিটার হাস। এর আগে গত ১৬ নভেম্বর তিনি শ্রীলংকান এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়েন। রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকদের তাদের কর্মস্থল থেকে নিজ দেশে বা অন্যত্র ছুটিতে যাওয়া স্বাভাবিক নিয়ম হলেও রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সফরটি বেশ আলোচিত হয়।


কর দেওয়া সহজ করতে এনবিআরকে কার্যকর অবদান রাখতে হবে

 



রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কর দেওয়া সহজ করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আরো বেশি কার্যকর অবদান রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আয়কর প্রদানকে সহজ ও উৎসবে রূপান্তর করতে নভেম্বর মাসব্যাপী সারাদেশের কর অফিসগুলোতে করসেবা প্রদান করার জন্য কর বিভাগে কর্মরত সবাইকে আরো বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে। আমি আশা করি, সাধারণ জনগণকে কর প্রদানে উৎসাহিত করতে এবং কর প্রদান সহজ করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আরো বেশি কার্যকর অবদান রাখবে।’

রাষ্ট্রপতি জাতীয় আয়কর দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন।

‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) জাতীয় আয়কর দিবস পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতীয় আয়কর দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘কর দেবো গড়বো দেশ, স্মার্ট হবে বাংলাদেশ’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, রাজস্ব আহরণের অন্যতম ব্যবস্থার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার কার্যকরী মাধ্যম আয়কর। উন্নত রাষ্ট্র গঠনে প্রত্যক্ষ কর বা আয়করের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত সুখী-সমৃদ্ধ ও উন্নত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশে আয়কর প্রদানকারীর সংখ্যা এবং আয়কর খাতে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধির বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, আয়কর প্রদানের পরিবেশ সৃষ্টি ও আয়কর সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে পারলে জনগণের কর বিষয়ক ভীতি দূর হবে এবং সমাজে কর পরিপালনের সংস্কৃতি বিকশিত হবে। আয়কর সম্পর্কে ভীতি ও অসচেতনতা দূর করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের উদ্ভাবনীমূলক ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

করদাতাদের কর প্রদানে উৎসাহিত করতে প্রতিবছর জাতীয় আয়কর দিবস উদযাপন এবং আয়কর তথ্য ও সেবা মাস আয়োজন, সর্বোচ্চ করদাতাকে সম্মাননা ও ট্যাক্স কার্ড প্রদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলেও রাষ্ট্রপতি মনে করেন।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, আয়কর আইন-২০২৩ প্রণয়ন এবং প্রথমবারের মতো ট্যাক্স রিটার্ন প্রিপেয়ারার সিস্টেম প্রবর্তন, অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল, ইলেকট্রনিক-ট্যাক্স ডিডাক্টেড অ্যাট সোর্স (ই-টিডিএস) এ চালান এবং নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণীর সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশন সিস্টেম (ডিভিএস) চালু করা রাজস্ব বোর্ডের প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তিনি মনে করেন, এসব ইতিবাচক কর্মসূচি ও সংস্কারমূলক কার্যক্রমের ফলে আয়কর ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী পরিবর্তন সূচিত হবে।

Blogger দ্বারা পরিচালিত.