Header Ads

Header ADS
জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

‘আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত’: হট্টগোলের পর স্পিকার


 জাতীয় সংসদে হট্টগোল ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে বর্তমান সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট হট্টগোল ও বাগবিতণ্ডার পর সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

স্পিকার বলেন, ‘আমি এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত। আজকে একে অপরকে কথা বলার সুযোগকে যেভাবে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টা দেখেছি, এটা সংসদের জন্য ভালো লক্ষণ নয়।’

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে সচল রাখতে এবং জনগণের এই প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর রাখতে হলে সংসদের কার্যপ্রণালির বিধি (রুলস অব প্রসিডিউর) কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আপনাদের বলব, সংসদের রুলস অব প্রসিডিউর পড়ুন। স্পিকার যখন কথা বলেন, তখন সবাইকে বসে শুনতে হয়। এই আইন-নীতি যদি না মানেন, ভঙ্গ করেন, তাহলে এই সংসদ বেশিদিন চলবে না।’

জাতীয় সংসদে নিজের ৪০ বছরের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে স্পিকার বলেন, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি কার্যকর ও সুন্দর সংসদ উপহার দেওয়ার জন্য সব সংসদ সদস্যকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

যে বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা

এর আগে কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা হলো, বুঝতে পারিনি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর সংসদে হট্টগোল ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যদি কথাই বলতে না দেন, তাহলে কিসের বাকস্বাধীনতা।’

এরপর বিরোধী দলের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্পিকার সংসদ সদস্যদের শান্ত থাকার এবং সংসদের কার্যপ্রণালির বিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

চালের দাম বৃদ্ধির খবর শুনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর


 খুচরা বাজারে মোটা চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে- এমন খবর শুনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

আজ মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন।

অতিরিক্ত প্রেসসচিব বলেন, গতকাল মোটা চাল যেটা প্রান্তিক মানুষের খাদ্য সেই চাল খুচরা বাজারে বৃদ্ধির সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হলে দ্রুত ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বলেন।

দেখা গেছে যে, তাৎক্ষনিক এর ইতিবাচক প্রভাব বাজারে দেখা গেছে।

এ ছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বিজ্ঞাপন এবং ব্যানার দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

অতিরিক্ত প্রেসসচিব বলেন, উপকুলীয় ও বঙ্গপসাগর এলাকায় জলদস্যুতা, ডাকাতি, অবৈধ পাচার ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নিয়মিত টহল বাড়ানো এবং জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধান উপদেষ্টাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেবে ইউকেএম


 বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করবে মালয়েশিয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া (ইউকেএম)। আগামী ১৩ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার মালয়েশিয়া সফরকালে তাকে এই সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করা হবে।


মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক শাহ আসিফ রহমান রোববার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া প্রধান উপদেষ্টাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করবে।


তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে একটি স্মারক বক্তৃতা দেবেন।


আসিফ রহমান বলেন, সফরের তৃতীয় দিন (১৩ আগস্ট) প্রফেসর ইউকেএম চ্যান্সেলর ও নেগেরি সেমবিলান প্রদেশের শাসক টুয়াঙ্কু মুহরিজ ইবনে মুনাভিরের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন।

জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করলেন প্রধান উপদেষ্টা


 জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠানস্থল পাঠ শুরু করেছেন প্রধান উপদেষ্টা।

ঘোষণাপত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো :

১। যেহেতু উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের সুদীর্ঘকালের ধারাবাহিকতায় এই ভূখণ্ডের মানুষ দীর্ঘ ২৩ বছর পাকিস্তানের স্বৈরশাসকদের বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল এবং নির্বিচার গণহত্যার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করে জাতীয় মুক্তির লক্ষ্যে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল;

২। যেহেতু, বাংলাদেশের আপামর জনগণ দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই ভূখণ্ডে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে বিবৃত সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে;


৩। যেহেতু স্বাধীন বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন পদ্ধতি, এর কাঠামোগত দুর্বলতা ও অপপ্রয়োগের ফলে স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযুদ্ধের জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিল এবং গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা ক্ষুণ্ণ করেছিল;


৪। যেহেতু স্বাধীনতা-পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনতার মূলমন্ত্র গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার বিপরীতে বাকশালের নামে সাংবিধানিকভাবে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করে এবং মতপ্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করে, যার প্রতিক্রিয়ায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশে সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে একদলীয় বাকশাল পদ্ধতির পরিবর্তে বহুদলীয় গণতন্ত্র, মতপ্রকাশ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা পুনঃপ্রবর্তনের পথ সুগম হয়,


৫। যেহেতু আশির দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় বছর ছাত্র-জনতার অবিরাম সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয় এবং ১৯৯১ সালে পুনরায় সংসদীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।


৬। যেহেতু দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সরকার পরিবর্তনের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ায় ১/১১-এর ষড়যন্ত্রমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার একচ্ছত্র ক্ষমতা, আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদের পথ সুগম করা হয়;


৭। যেহেতু গত দীর্ঘ ষোল বছরের ফ্যাসিবাদী, অগণতান্ত্রিক এবং গণবিরোধী শাসনব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে এবং একদলীয় রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অতি উগ্র বাসনা চরিতার্থ করার অভিপ্রায়ে সংবিধানের অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক পরিবর্তন করা হয় এবং যার ফলে একদলীয় একচ্ছত্র ক্ষমতা ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়;


৮। যেহেতু শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসন, গুম-খুন, আইন-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ এবং একদলীয় স্বার্থে সংবিধান সংশোধন ও পরিবর্তন বাংলাদেশের সব রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে;


৯। যেহেতু, হাসিনা সরকারের আমলে তারই নেতৃত্বে একটি চরম গণবিরোধী, একনায়কতান্ত্রিক ও মানবাধিকার হরণকারী শক্তি বাংলাদেশকে একটি ফ্যাসিবাদী, মাফিয়া এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রের রূপ দিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে;


১০। যেহেতু, তথাকথিত উন্নয়নের নামে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী নেতৃত্বে সীমাহীন দুর্নীতি, ব্যাংক লুট, অর্থ পাচার ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসের মধ্য দিয়ে বিগত পতিত দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশ ও এর অমিত অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বিপর্যস্ত করে তোলে এবং এর পরিবেশ, প্রাণবৈচিত্র্য ও জলবায়ুকে বিপন্ন করে;


১১। যেহেতু শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দল, ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনসহ সমাজের সর্বস্তরের জনগণ গত প্রায় ষোল বছর যাবত নিরন্তর গণতান্ত্রিক সংগ্রাম করে জেল-জুলুম, হামলা-মামলা, গুম-খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়;


১২। যেহেতু বাংলাদেশে বিদেশি রাষ্ট্রের অন্যায় প্রভুত্ব, শোষণ ও খবরদারিত্বের বিরুদ্ধে এ দেশের মানুষের ন্যায়সংগত আন্দোলনকে বহিঃশক্তির তাঁবেদার আওয়ামী লীগ সরকার নিষ্ঠুর শক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমে দমন করে;


১৩। যেহেতু অবৈধভাবে ক্ষমতা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগ সরকার তিনটি প্রহসনের নির্বাচনে (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪-এর জাতীয় সংসদ নির্বাচন) এ দেশের মানুষকে ভোটাধিকার ও প্রতিনিধিত্ব থেকে বঞ্চিত করে;


১৪। যেহেতু, আওয়ামী লীগ আমলে ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, শিক্ষার্থী ও তরুণদের নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করা হয় এবং সরকারি চাকরিতে একচেটিয়া দলীয় নিয়োগ ও কোটাভিত্তিক বৈষম্যের কারণে ছাত্র, চাকরিপ্রত্যাশী ও নাগরিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের জন্ম হয়;


১৫। যেহেতু বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ওপর চরম নিপীড়নের ফলে দীর্ঘদিন ধরে জনরোষের সৃষ্টি হয় এবং জনগণ সব বৈধ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই চালিয়ে যায়;


১৬। যেহেতু, সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটাব্যবস্থার বিলোপ ও দুর্নীতি প্রতিরোধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক ব্যাপক দমন-পীড়ন, বর্বর অত্যাচার ও মানবতাবিরোধী হত্যাকাণ্ড চালানো হয়, যার ফলে সারা দেশে দল-মত নির্বিশেষে ছাত্র-জনতার উত্তাল গণবিক্ষোভ গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়;


১৭। যেহেতু ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে অদম্য ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক দল, ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী, শ্রমিক সংগঠনসহ সমাজের সব স্তরের মানুষ যোগদান করে এবং আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বাহিনী রাজপথে নারী-শিশুসহ প্রায় এক হাজার মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে, অগণিত মানুষ পঙ্গুত্ব ও অন্ধত্ব বরণ করে এবং আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা জনগণের গণতান্ত্রিক লড়াইকে সমর্থন প্রদান করে;


১৮। যেহেতু, অবৈধ শেখ হাসিনা সরকারের পতন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের লক্ষ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে জনগণ অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে, পরবর্তী সময়ে ৫ আগস্ট ঢাকা অভিমুখে লংমার্চ পরিচালনা করে এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনরত সব রাজনৈতিক দল, ছাত্র-জনতা তথা সর্বস্তরের সব শ্রেণি, পেশার আপামর জনসাধারণের তীব্র আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে গণভবনমুখী জনতার উত্তাল যাত্রার মুখে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়;


১৯। যেহেতু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট মোকাবিলায় গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ব্যক্ত জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রত্যয় ও প্রয়োগ রাজনৈতিক ও আইনি উভয় দিক থেকে যুক্তিসঙ্গত, বৈধ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত;


২০। যেহেতু জনগণের দাবি অনুযায়ী এরপর অবৈধ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে সুপ্রিম কোর্টের মতামতের আলোকে সাংবিধানিকভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়;


২১। যেহেতু, বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের ফ্যাসিবাদবিরোধী তীব্র আকাঙ্ক্ষা এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদ, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়;


২২। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ সুশাসন ও সুষ্ঠু নির্বাচন, ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ, আইনের শাসন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে বিদ্যমান সংবিধান ও সব রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের গণতান্ত্রিক সংস্কার সাধনের অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে;


২৩। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ বিগত ষোল বছরের দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম কালে এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক সংঘটিত গুম-খুন, হত্যা, গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সব ধরনের নির্যাতন, নিপীড়ন এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি লুণ্ঠনের অপরাধগুলোর দ্রুত উপযুক্ত বিচারের দৃঢ় অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে;


২৪। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদকে জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে প্রয়োজনীয় সব আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।


২৫। সেহেতু, বাংলাদেশের জনগণ যুক্তিসঙ্গত সময়ে আয়োজিতব্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে প্রতিশ্রুত প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশা, বিশেষত তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আইনের শাসন ও মানবাধিকার, দুর্নীতি, শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।


২৬। সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছে যে, একটি পরিবেশ ও জলবায়ুসহিষ্ণু অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার সংরক্ষিত হবে।


২৭। বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।


২৮। ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হলো।

কুমিল্লা-৯ আসন পুনর্বহাল ও লাকসাম জেলা ঘোষণার দাবিতে মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ




নিজস্ব প্রতিবেদক: লাকসাম-মনোহরগঞ্জের সমন্বয়ে কুমিল্লা-৯ সংসদীয় আসন পূনর্বহাল এবং লাকসাম জেলা ঘোষণার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২ আগস্ট) বিকেলে লাকসাম জেলা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটি এ বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

লাকসাম জেলা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বদিউল আলম সুজনের নেতৃত্বে মিছিলটি দৌলতগঞ্জ স্টেশন জামে মসজিদ চত্বর থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের লাকসাম বাইপাসে বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়। 

সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে লাকসাম-মনোহরগঞ্জের সমন্বয়ে কুমিল্লা-৯ সংসদীয় আসন পূনর্বহাল ও

লাকসাম জেলা বাস্তবায়নের দাবি জানান। 

বক্তারা উল্লেখ করেন, কারো আবেদন কিংবা দাবি ছাড়াই কুমিল্লা-৯ আসনকে দ্বিখন্ডিত করা হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলার জন্য এই ধরনের হটকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ সময় তারা লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলাবাসীর প্রাণের দাবি হিসেবে কুমিল্লা-৯ আসনকে পুনর্বহালের জন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আহবান জানান। 

এছাড়াও সমাবেশে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি লাকসামকে অবিলম্বে জেলা ঘোষণার আহবান জানানো হয়। 

বক্তারা কুমিল্লা-৯ আসন পুনর্বহাল ও লাকসাম জেলা বাস্তবায়নে প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেন। অন্যথায় দাবি আদায়ে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধসহ বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, লাকসাম জেলা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বদিউল আলম সুজন, সাবেক কাউন্সিলর শাহাদাত হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুর রহিম, হাফেজ পেয়ার আহমদ, ফখরুল ইসলাম মাসুম, ফারুক আল সারাহ, নুরুল আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, আবুবকর জাহিদ।

লাকসাম জেলা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বদিউল আলম সুজন বলেন, কুমিল্লা-৯ লাকসাম-মনোহরগঞ্জ আসন নিয়ে কারো কোন অভিযোগ ছিল না, বিনা উস্কানিতে অন্তবর্তীকালিন সরকারকে বিপদে ফেলার জন্য এই হটকারি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আজকের জনরোষ দেখে এই প্রস্তাবনা থেকে সরে আসতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহবান জানান তিনি। একই সাথে লাকসামের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি লাকসামকে জেলা ঘোষণা করার জোর দাবিও জানান তিনি। তিনি বলেন, আজকের কর্মসূচীর পর নির্বাচন কমিশন কোন পদক্ষেপ না নিলে জনগনকে সাথে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেয়া হবে।


৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৯ হাজার কোটি টাকা


দেশের ইতিহাসে রেমিট্যান্স আসায় একের পর এক রেকর্ড হয়েছে। সর্বোচ্চ এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে যথাক্রমে মার্চ ও এপ্রিলে। রেমিট্যান্স আসার সেই ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে। চলমি মাস মে’র প্রথম সাত দিনেই ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় দেশে এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) যার পরিমাণ প্রায় ৯ হাজার কোটি (৮ হাজার ৯৬৭ কোটি) টাকা। আর প্রতিদিন আসছে ১০ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ১২৮১ কোটি টাকা। এভাবে রেমিট্যান্স এলে চলতি মাসে আবারও রেকর্ড হতে যাচ্ছে অর্থাৎ তিন বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করতে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, মে মাসের প্রথম সাত দিনে ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। যা তার আগের বছরের একই সময়ে (মে, ২০২৪) সাড়ে ১৩ কোটি ডলার বেশি। ২০২৪ সালের মে মাসের প্রথম সাত দিনে এসেছিল ৬০ কোটি ১০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স।

আর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই থেকে মে মাসের সাতদিন পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৫২৭ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। যা গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই থেকে মে মাসের সাতদিন পর্যন্ত এসেছিল এক হাজার ৯৭২ কোটি ডলার। সে হিসাবে গত অর্থবছরের তুলনায় এখন পর্যন্ত সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার বেশি এসেছে। অর্থবছরের হিসাবে চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত রেমিট্যান্স আসার প্রবৃদ্ধি ২৮.২ শতাংশ।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, আগস্টে এসেছে ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার, সেপ্টেম্বরে এসেছে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ, অক্টোবরে এসেছে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, নভেম্বর মাসে এসেছে ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে এসেছে ২৬৪ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি ডলার, মার্চে ৩২৯ কোটি ডলার এবং সবশেষ এপ্রিলে আসে ২৭৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স।

কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক


 বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল থানির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) কাতারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়

বৈঠকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল থানি, যিনি একইসঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীও। তিনি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং দেশ পুনর্গঠনে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে তিনি তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের একজনকে মনোনীত করবেন।

শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল থানি ড. ইউনূসকে বলেন, আমরা আপনার নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখি।

দেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষ, বিশেষ করে তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য নতুন সুযোগ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ সৃষ্টিসহ নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে পূর্ণ কূটনৈতিক, আর্থিক ও বিনিয়োগ সহায়তা কামনা করেন প্রধান উপদেষ্টা। প্রফেসর ইউনূস বলেন, আমাদের তরুণদের স্বপ্নের দেশ গড়তে আপনাদের সহযোগিতা চাই।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী বিস্তৃত সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনার জন্য কাতারে একটি টেকনিক্যাল টিম পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেন।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। রোহিঙ্গারা যাতে মর্যাদার সঙ্গে তাদের দেশে ফিরে যেতে পারে, তা নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য সমস্ত সহায়তার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।

প্রধান উপদেষ্টা আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের সংলাপ আয়োজনে সহায়তার জন্য কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি সংকট সমাধানে আরও আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের আহ্বান জানান। তিনি বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি এবং এই সমস্যার টেকসই সমাধানে কাতারের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

দুই নেতা ফিলিস্তিনের গাজা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন। ড. ইউনূস দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, গাজাবাসীদের দুর্দশা নিয়ে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ এখনও নীরব। কাতারের প্রধানমন্ত্রী এই ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানের প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অনেক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও গাজা সংকট তুলে ধরার জন্য আল জাজিরাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি গতকাল কাতারভিত্তিক এই সংবাদ মাধ্যমের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন।

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের নারী ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণ প্রদান ও সুযোগ-সুবিধা নির্মাণসহ তাদের জন্য কাতারের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান— এই অনুরোধ শেখ মোহাম্মদ সানন্দে গ্রহণ করেন।

বৈঠকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, জ্বালানি উপদেষ্টা ফউজুল কবির খান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা-লাকসাম-নাথেরপেটুয়া রোডে তায়েফ এয়ারকন সার্ভিসের শুভ উদ্বোধন


ঢাকা-লাকসাম-নাথেরপেটুয়া রোডে তায়েফ এয়ারকন সার্ভিসের শুভ উদ্বোধন

উদ্বোধন করেন বাইতুল মোকাররম মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মিজানুর রহমান ও বিশিষ্ট সাংবাদিক নেতা, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ খন্দকার আলমগীর হোসাইন। ডিজিটাল মিডিয়া ফোরামের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো.মাইনউদ্দিন সোহাগ। 


এ সময় উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাহআলম মনির, মো. জসিম উদ্দিন পরিচালক, শওকত হোসেন  পরিচালক, আলমগীর হোসেন পরিচালক, মুস্তাফিজুর রহমান পরিচালক, সাইফুল ইসলাম শিপন পরিচালক, আশিক এলাহী,রুবেল হোসেন, অলিউল্লাহ পরিচালক প্রমুখ।

ইসলামী ব্যাংকের অর্ধেকের বেশি টাকা নিছে এস আলম গোষ্ঠী: চেয়ারম্যান

 



ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি থেকে নামে-বেনামে মোট ঋণের অর্ধেকের বেশি নিয়ে গেছে এস আলম গোষ্ঠী। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে নতুন বোর্ডের সভা শেষে ব্যাংকটির নতুন চেয়ারম্যান ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ব্যাংকটি ঋণ হিসেবে যত অর্থ বিতরণ করেছে, তার অর্ধেকের বেশি টাকা একাই নিয়েছে সাত বছর ধরে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণকারী ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গোষ্ঠী। এসব ঋণের পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখন বের করা হচ্ছে। এস আলমের ঋণের বিপরীতে যেসব সম্পদ বন্ধক দেওয়া আছে, তারও পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে। কারণ, এসব সম্পদের দাম বেশি দেখিয়ে ঋণ বের করা হয়েছে।

এ ছাড়া ইসলামী ব্যাংকের ঋণের বিপরীতে বন্ধক দেওয়া হয়নি, এস আলম গোষ্ঠীর এমন সম্পদের খোঁজ নিতে আইন মন্ত্রণালয়ের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান ব্যাংকের চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, এসব সম্পদ খুঁজে পাওয়ার পর তা ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হওয়ায় এখন ‘প্রাণ খুলে’ কথা বলতে পারছেন বলে মন্তব্য করেন ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ।

ইসলামী ব্যাংক এস আলমের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করার পর আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ব্যাংকটির নতুন পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভা হয়। ওই সভা শেষে চেয়ারম্যান ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ ব্যাংকের পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

গত ২২ আগস্ট ইসলামী ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁকে নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। তিনি সোনালী ও রূপালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সোনালী ব্যাংকে এবং ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত রূপালী ব্যাংকের এমডি ছিলেন তিনি।

ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেন, হলমার্ক কেলেঙ্কারিরর পর সোনালী ব্যাংকের দায়িত্ব পেয়েছিলাম। হলমার্কের ঘটনা আলোচনায় আসার পরও সোনালী ব্যাংকে আমানত বেড়েছিল। ইসলামী ব্যাংকের সমস্যাটি অনেক বড়। এ জন্য আমরা দায়িত্ব নিয়েই পথনকশা প্রণয়ন করেছি। প্রতিদিন ব্যাংকে উপস্থিত থেকে তদারকির চেষ্টা করে যাচ্ছি। চলতি বছর পুরোটাই হবে গ্রাহকের আস্থা ফেরানোর বছর। সামনের বছরেও এ কাজ চলবে। ২০২৬-২৭ সাল হবে ঘুরে দাঁড়ানোর বছর। ২০২৮-৩০ সাল এগিয়ে যাওয়ার বছর।

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান বলেন, ২০২২ সাল থেকে ব্যাংকে তারল্যসংকট শুরু হয়। এখন ব্যাংকের গ্রাহক, প্রবাসী আয় পাঠানো গ্রাহক, শেয়ারধারী ও বিদেশি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান-কেউই ব্যাংকের ওপর আস্থা পাচ্ছেন না। এ জন্য ব্যাংকের প্রকৃত অবস্থা যাচাইয়ে তিনটি নিরীক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা ব্যাংকের ঋণ, বিনিয়োগ ও মানবসম্পদের ওপর নিরীক্ষা করবে। আগে ভালো নিরীক্ষা হয়নি, তাই আজ ব্যাংকের এই পরিণতি।

অটোরিকশা ছিনিয়ে চালককে গলাকাটা হত্যা

 


নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লার লাকসামে অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে চালককে গলাকাটা হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) লাকসাম থানা পুলিশ মোঃ শাহজাহান (১৮) নামে ওই যুবকের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

নিহত শাহজাহান পার্শ্ববর্তী মনোহরগঞ্জ উপজেলার বিপুলাসার ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে।

এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে ওই যুবকের মূখ থেতলানো গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ থানায় নিয়ে আসে।

লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ সাহাবুদ্দিন খান জানান, সন্ধ্যায় খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। মূখ থেতলানো থাকায় কেউ মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি। তার গলা কাটা এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।  তার পরনে ছিল কালো থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট ও পিঠে পিস্তল অংকিত কালো শার্ট। আজ (বুধবার) সকালে শাহজাহানের পিতা আব্দুল হান্নান ও মাতা নুরজাহান বেগম তার লাশ সনাক্ত করেন।

নিহতের পিতা আব্দুল হান্নান জানান, সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে শাহজাহান ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নিয়ে তাকে হত্যা করে লাশ লুকিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে পরিত্যক্ত ভবনে কাপড় পেঁচিয়ে রাখা হয়।

এ সময় তিনি তার ছেলের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে বুধবার লাকসাম থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, সিআইডি'র একটি দল এবং তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ দলসহ পুলিশ জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে।

কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (অপরাধ) আশফাকুল ইসলাম ও সহকারী পুলিশ সুপার (লাকসাম সার্কেল) সৌমেন মজুমদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ওসি সাহাবুদ্দিন খান বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে নিহতের মরদেহটি পাঠানো হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।

মনোহরগঞ্জে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ত্রাণ বিতরণ


 


সংবাদদাতা: বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন মনোহরগঞ্জ উপজেলা শাখার উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ফুডপ্যাকে ছিল চাল, তেল, আলু ও পেয়াজ। 

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) উপজেলার নাথেরপেটুয়াসহ বিভিন্ন স্থানে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ সয়ম উপস্থিত ছিলেন মনোহরগঞ্জ উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি কাতার প্রবাসী ব্যবসায়ি মোঃ জসিম উদদীন, ছাত্রশিবির কুমিল্লা জেলা দক্ষিণের সাবেক সভাপতি মু. মোস্তাফিজুর রহমান শামীম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুমিল্লা জেলা দক্ষিণের দপ্তর সম্পাদক মু. ইকবাল হাসান মাহমুদ, উপজেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল গোফরান, উপজেলা সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম, ওমর ফারুক, সাগর হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

জুনেও উচ্চ মূল্যস্ফীতি, খাদ্যে ১০ শতাংশ ছাড়িয়ে

 


দেশে দুই বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। এই পুরো সময় ধরে মূল্যস্ফীতির হার ৯ শতাংশের বেশি রয়েছে। মূল্যস্ফীতির রাশ টানতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও তাতে লাভ হয়নি। বরং মূল্যস্ফীতি উচ্চ স্তরেই রয়েছে, মাঝেমধ্যে কেবল সামান্য একটু ওঠানামা করছে। সদ্যবিদায়ী অর্থবছরের শেষ মাস জুনে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে শূন্য দশমিক ১৭ শতাংশ। একই সঙ্গে কমেছে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিও।

রোববার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবিএসের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, জুন মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ হয়েছে, গত মে মাসে যেটি ছিল ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ। চলতি বছরের শুরুতে দেশে হঠাৎ বেড়ে যাওয়া খাদ্য মূল্যস্ফীতি মে মাসের তুলনায় জুনে কমেছে শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশ। জুনে সার্বিক খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৪২ শতাংশ। মে মাসে যেটি ছিল ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

এদিকে মে মাসে সার্বিক খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৯ শতাংশ থাকলেও জুন মাসে সেটি কমে ৯ দশমিক ১৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া জুন মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ১৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮১ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ দশমিক ৩৯ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২৬ শতাংশ।

আর শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ দশমিক ৫৪ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

বিশ্লেষকেরা বলেন, মূল্যস্ফীতি একধরনের কর; ধনী-গরিবনির্বিশেষে সবার ওপর চাপ সৃষ্টি করে মূল্যস্ফীতি। আয় বৃদ্ধির তুলনায় মূল্যস্ফীতির হার বেশি হলে গরিব ও মধ্যবিত্ত মানুষ সংসার চালাতে ভোগান্তিতে পড়েন। দুই বছর ধরে চলা এই উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। প্রভাব পড়ছে মানুষের যাপিত জীবনে।

কোটাবিরোধী আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই: প্রধানমন্ত্রী


পড়াশোনা বাদ দিয়ে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে কোটাবিরোধী আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (৭ জুলাই) গণভবনে বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোটা বাতিলের আন্দোলন হচ্ছে। আমরা কোটা বাতিল করেছিলাম। কিন্তু এতে লাভ কী হলো। অনেক মেয়ে চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছে। অনেক জেলার মানুষও বঞ্চিত হয়েছে। এরকমই একজন মামলা করেছে। কিন্তু হাইকোর্টের রায়ে বহাল হয়েছে। পড়াশোনা বাদ দিয়ে ছেলেমেয়েরা আন্দোলন করছে। এর কোনো যৌক্তিকতা নেই।

এসময় পেনশন আন্দোলন নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজনীতিবিদদেরও সর্বজনীন পেনশন স্কিমে যুক্ত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য পেনশন স্কিম করা হয়েছে। জীবনের নির্ভরতার জন্য পেনশন। আমরা চাই সবাই একটু ভালোভাবে বাঁচুক।

অনুষ্ঠানে যুব মহিলা লীগের ওয়াবসাইট উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। নারীর ক্ষমতায় ও অগ্রগতিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন,

আন্দোলন- সংগ্রামে যুব মহিলা লীগ সব সময় ভূমিকা পালন করেছে। দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করেছে সংগঠনটি।

বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় যেভাবে নির্যাতন করেছে তা নিন্দারও যোগ্য নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, দলটি ভোট চুরি করে মাত্র দেড় মাস টিকেছে। গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে ২০০১ সালে ক্ষমতায় গিয়েছিল বিএনপি। ভোট চুরির অবপাদে ২ বার ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে তারা।

শৈশব থেকেই সন্তানদের বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

 

বিজ্ঞান শিক্ষায় গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিশুদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানের মাধ্যমে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ দিতে হবে। যেন একদিন তারা চাঁদ জয় করতে পারে। আমাদের একদিন চাঁদে যেতে হবে। কাজেই আমাদের সন্তানদের শৈশব থেকেই বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পূণর্ব্যক্ত করে ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৪’ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।অনুষ্ঠানে ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আজ এটাই চাই যে আমাদের বাংলাদেশ ২০৪১ সাল নাগাদ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ হিসেবে গড়ে উঠবে। যেখানে আমাদের স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট ও স্মার্ট সোসাইটি হবে। আজকের শিশুরা আগামী-দিনের স্মার্ট বাংলাদেশের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেবে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম যেন একটা সুন্দর জীবন পেতে পারে সে জন্য ‘ডেল্টা পরিকল্পনা-২১০০’ প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

সেই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের শিশুদের শিক্ষা-দীক্ষায়, সংস্কৃতি চর্চা, খেলাধুলা সবদিক থেকেই উপযুক্ত নাগরিক হিসেবেই গড়ে তুলতে চাই। আর তা করার জন্য যা যা করণীয় অবশ্যই তা করবো।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অর্থাৎ এ যে প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি শিশুকাল থেকেই ধীরে ধীরে তারা গড়ে উঠবে। দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে এবং দেশের উন্নয়নে তাদের চিন্তা-ভাবনা, তারা আরও নতুন নতুন উদ্ভাবনী শক্তি দিয়েই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সেটাই আমি চাই।’

আজকের শিশু আগামী-দিনের নাগরিক ও এ দেশের কর্ণধার হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ শিশুদের মধ্যদিয়েই কেউ মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী হবে, বড় বড় সংস্থায় চাকরি করবে, বৈজ্ঞানিক হবে। এমনকি এক সময় তো আমাদের চাঁদেও যেতে হবে। চাঁদও জয় করতে হবে।

তিনি বলেন, সেই বিজ্ঞানসম্পন্ন জ্ঞান যেন আমাদের শিশুরা এখন থেকেই পায় সেই জন্য ব্যবস্থা করতে হবে। এরই মধ্যে গবেষণা ও শিক্ষার জন্য আমি বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় করেছি। অ্যারোনটিক্যাল সেন্টার করে দিয়েছি। কাজেই এখন থেকেই শিশুদের সেইভাবে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

শিক্ষা-সপ্তাহ উপলক্ষে ১৮টি ক্যাটাগরিতে ১২৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৬ জন শিক্ষার্থী, ১৫ ব্যক্তি এবং তিনটি সংস্থা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পদক নেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষার উন্নয়নে সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ওপর একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলা এবং দুর্গত মানুষের পাশে থাকার জন্য ছুটি বাতিলের এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান।

আজ রবিবার সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিন্ত্রী বলেন, ৮ লাখের বেশি মানুষ ইতোমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রে এসেছেন। বাকিদের আসার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। উপকূলীয় অঞ্চলে আপাতত স্কুল খোলা থাকবে তবে ক্লাস বন্ধ থাকবে। এছাড়া আজ সন্ধ্যা থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু টানেলও বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৯ নম্বর মহাপবিদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অফিসের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি-১০ এ বলা হয়েছে, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় (১৯.৫০ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৪০ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এটি আজ (২৬ মে) সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪০০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৬০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৩০ কি.মি. দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৯৫ কি.মি. দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

ঘূর্ণিঝড়টি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে আজ (রোববার) সন্ধ্যা/মধ্যরাত নাগাদ মোংলার কাছ দিয়ে সাগর আইল্যান্ড (পশ্চিমবঙ্গ) খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম করতে পারে। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি শুরু হয়েছে।


সংসদ অধিবেশন শুরু


দ্বাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (০২ মে) বিকেল ৫টায় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে এ অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার সভাপতিমণ্ডলীর নাম ঘোষণা করেন।

তারা হলেন- এম এ মান্নান, আসাদুজ্জামান নুর, শফিকুল ইসলাম শিমুল, গোলাম কিবরিয়া টিপু ও ফজিলাতুন্নেছা। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতি নামের অগ্রবর্তিতা অনুযায়ী সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন।

এর পর অধিবেশনে ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব আনা হয়। গত ১৬ মার্চ আব্দুল হাই থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এ ছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য শামছুল হক ভূঁইয়া, আবুল হাসেম খান, পিনু খান, নজির হোসেন ও মোখলেছুর রহমান এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভাষা সৈনিক, একুশে পদকপ্রাপ্ত ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু, একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রবীণ সাংবাদিক ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ ড. প্রণব কুমার বড়ুয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়।

এরপর সংসদ সদস্য আব্দুল হাইয়ের শোক প্রস্তাবের উপর আলোচনা শুরু হয়।

ভোক্তাপর্যায়ে দাম কমলো এলপি গ্যাসের


 ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ দফায় ১২ কেজি সিলিন্ডারের মূল্য ১ হাজার ৪৮২ টাকা থেকে ৪০ টাকা কমিয়ে এক হাজার ৪৪২ টাকা নির্ধারণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

আজ বুধবার (৩ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এ দর ঘোষণা করে সংস্থাটি, যা আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে মার্চ মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৪৭৪ টাকা থেকে ৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

কুমিল্লা ফোরাম, ঢাকার যাত্রা শুরু

 


ঢাকায় অবস্থান করা কুমিল্লার বাসিন্দাদের নিয়ে ‘কুমিল্লা ফোরাম, ঢাকা’ নামে একটি সংগঠন যাত্রা শুরু করেছে। সম্প্রতি রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফোরামের কার্যক্রম শুরু করা হয়। অনুষ্ঠানে ১৭টি উপজেলা থেকে ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন- আহ্বায়ক মু. মাইন উদ্দিন সোহাগ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মু. হাবিবুর রহমান মজুমদার, যুগ্ম আহ্বায়ক পদে মো. মাহমুদ ভূঁইয়া, আবু হানিফ নোমান ও হাবিবুর রহমান।

ছাড়া সদস্যসচিব হয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান শামীম। যুগ্ম সদস্য সচিব পদ পেয়েছেন ইন্জিনিয়ার আলমগীর হোসেন আকাশ, মহিউদ্দিন ও আশিকুর রহমান আসিফ।

জানা গেছে, প্রতি থানা থেকে দুজন করে মোট ৫১ সদস্য কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন, সোহেল আরমান (লাকসাম),হাবিবুল হাসান সায়মন (লালমাই), অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম রনি (লাকসাম), মিজানুর রহমান (দাউদকান্দি), লোকমান হোসেন তালুকদার (মনোহরগঞ্জ), আবু সাইদ (মনোহরগঞ্জ), আমজাদ হোসেন উজ্জ্বল (নাঙ্গলকোট), মাসুম মাহমুদ (চৌদ্দগ্রাম), খাইরুল জাহান সাজিদ (লালমাই), আসাদুজ্জামান (ব্রাহ্মণপাড়া), কাজী একরাম হোসেন, রবিউল ইসলাম (লাকসাম), অলিউল্লাহ কাউসার (লাকসাম), জুনায়েদ সিদ্দিকী (মনোহরগঞ্জ), মোবারক করিম (মনোহরগঞ্জ), মোহাম্মদ রায়হান উল্লাহ (বরুড়া), এড. খালেদ সাইফুল্লাহ (বরুড়া), সাইফুল ইসলাম (লালমাই), জহিরুল ইসলাম (লালমাই), তাওহীদুল আজম বাবু (চৌদ্দগ্রাম), অ্যাডভোকেট আতিকুল ইসলাম (চৌদ্দগ্রাম), মোরশেদ আহমেদ তাফহীম (সদর দক্ষিণ), ওমর ফারুক ছোটন (সদর দক্ষিণ), সীমান্ত আকরাম ও মেহেদী হাসান (আদর্শ সদর), সোলেমান সবুজ ও ফয়েজ উল্লাহ (নাঙ্গলকোট), তৌফিকুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম (ব্রাহ্মণপাড়া), কামরুজ্জামান ও সাইফুদ্দিন (বুড়িচং), শরিফুল ইসলাম ও নাঈম খন্দকার (দেবিদ্বার), সানাউল্লাহ গাজী ও আশিকুর রহমান (চান্দিনা), রুবেল আহমেদ বাবু ও আমির হোসেন (মুরাদনগর), মহিউদ্দিন ও অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন (দাউদকান্দি), মেহেদী হাসান (হোমনা), আওলাদ হোসেন (তিতাস), কামরুজ্জামান সুমন প্রমুখ।


গভীর সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলনে বিদেশিদের বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

 


দেশের জ্বালানি সংকট নিরসনে এবার গভীর সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আর এ জন্য বিদেশি বিনিয়োগ আহ্বান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (ফেব্রুয়ারি ২৭) সন্ধ্যায় সংসদ ভবন কার্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইটিএফসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইঞ্জিনিয়ার হানি সালেমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। পরে তার বক্তব্য লেখক মো. নজরুল ইসলাম এ সাক্ষাতের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

মো. নজরুল ইসলাম জানান, বর্তমানে দেশে বিনিয়োগযোগ্য পরিবেশ বিরাজ করছে জানিয়ে হানি সালেমকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে দেশের জ্বালানি সংকট নিরসনে তার সরকার গভীর সমুদ্রে গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ জন্য আমাদের বিনিয়োগ দরকার।

এ ছাড়া গ্রামীণ অর্থনীতি ও খাদ্য উৎপাদন এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। আইটিএফসি প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে বৈঠকে কর্মসংস্থান বাড়ানোর জন্যও বিনিয়োগ আহ্বান করেছেন শেখ হাসিনা।

এদিকে স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের সিইও হানি সালেমও। তিনি বলেছেন, অবকাঠামো, আইসিটি, ঋণ ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি খাত এবং জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে আইটিএফসি সর্বাত্মক সহায়তা দেবে।

বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আর্থিক ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করে হানি সালেম বলেন, ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে একটি চমৎকার ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে বাংলাদেশের।

সৌজন্য সাক্ষাতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী।

সরকারিভাবে বড় ইফতার পার্টি না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

 


এবার রমজান মাসে সরকারিভাবে বড় ধরনের ইফতারি পার্টি না করার বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন তিনি।

বৈঠক শেষে বিকেলে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

উল্লেখ্য, রমজান মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এ বছর রোজা শুরু হতে পারে ১২ বা ১৩ মার্চ।

Blogger দ্বারা পরিচালিত.